কুইজ পরীক্ষার উত্তর মালা শ্রেণি: পঞ্চম | বিষয়: বাংলা পাট ১২: শিষ্যের সাধনা
Shiuly's Class Room
Aklima Shiuly
কুইজ পরীক্ষার উত্তর মালা
শ্রেণি: পঞ্চম | বিষয়: বাংলা
পাট ১২: শিষ্যের সাধনা
১। অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (২ নম্বরের কুইজ রাউন্ড) —
১. প্রশ্ন: ছেলেটির নাম কী ছিল?
উত্তর: ছেলেটির নাম ছিল একলব্য।
২. প্রশ্ন: একলব্য সারাদিন কী নিয়ে মেতে থাকত?
উত্তর: একলব্য সারাদিন তির-ধনুক নিয়ে মেতে থাকত।
৩. প্রশ্ন: একলব্যের হাতের নিশানা কেমন ছিল?
উত্তর: একলব্যের হাতের নিশানা ছিল অব্যর্থ।
৪. প্রশ্ন: একলব্য মনে মনে মস্ত বড় কী হতে চেয়েছিল?
উত্তর: একলব্য মনে মনে মস্ত বড় বীর হতে চেয়েছিল।
৫. প্রশ্ন: একলব্য কার কাছে তির চালনা শেখার জন্য ছুটে গিয়েছিল?
উত্তর: একলব্য গুরু দ্রোণের কাছে ছুটে গিয়েছিল।
৬. প্রশ্ন: একলব্য গুরু দ্রোণের ব্যাপারে কী শুনেছিল?
উত্তর: একলব্য শুনেছিল যে দ্রোণ রাজপুত্রদের তির চালনা শেখান।
৭. প্রশ্ন: কার কাছে তির চালনা শিখতে পারলে একলব্যের মনের ইচ্ছা পূর্ণ হতে পারত?
উত্তর: গুরু দ্রোণের কাছে শিখতে পারলে একলব্যের মনের ইচ্ছা পূর্ণ হতে পারত।
৮. প্রশ্ন: একলব্য কীভাবে রাজবাড়ির মাঠে ঢুকে পড়েছিল?
উত্তর: একলব্য সাহসে বুক বেঁধে রাজবাড়ির মাঠে ঢুকে পড়েছিল।
৯. প্রশ্ন: রাজবাড়ির মাঠে রাজপুত্ররা কীসের অনুশীলন করছিল?
উত্তর: রাজবাড়ির মাঠে রাজপুত্ররা ধনুক থেকে তির ছোড়ার অনুশীলন করছিল।
১০. প্রশ্ন: রাজপুত্ররা যখন তির ছুড়ছিল, তখন গুরু দ্রোণ কোথায় ছিলেন?
উত্তর: গুরু দ্রোণ একদিকে বসে ছিলেন।
১১. প্রশ্ন: রাজবাড়ির মাঠে দাঁড়িয়ে একলব্য কী দেখতে লাগল?
উত্তর: একলব্য দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে রাজপুত্রদের তির ছোড়া দেখতে লাগল।
১২. প্রশ্ন: রাজবাড়ির মাঠে ঢোকার পর একলব্যের কীসের অভাব বা সাহস হলো না?
উত্তর: রাজবাড়ির মাঠে ঢোকার পর একলব্যের গрующих কাছে যাওয়ার সাহস হলো না।
১৩. প্রশ্ন: হঠাৎ কে একলব্যকে দেখতে পেয়েছিল?
উত্তর: হঠাৎ এক রাজপুত্র একলব্যকে দেখতে পেয়েছিল।
১৪. প্রশ্ন: একলব্যকে দেখে রাজপুত্রটি চেঁচিয়ে কী জিজ্ঞেস করেছিল?
উত্তর: রাজপুত্রটি চেঁচিয়ে জিজ্ঞেস করেছিল, "তুমি কে? কোত্থেকে এসেছ?"
১৫. প্রশ্ন: রাজপুত্রের চেঁচানো শুনে একলব্য কেমন করে থাকল?
উত্তর: রাজপুত্রের চেঁচানো শুনে একলব্য চুপ করে থাকল।
১৬. প্রশ্ন: একলব্যকে চুপ করে থাকতে দেখে কে তাকে কাছে ডাকলেন?
উত্তর: একলব্যকে চুপ করে থাকতে দেখে গুরু দ্রোণ তাকে কাছে ডাকলেন।
১৭. প্রশ্ন: দ্রোণ কাছে ডেকে একলব্যকে কী প্রশ্ন করেছিলেন?
উত্তর: দ্রোণ জিজ্ঞেস করেছিলেন, "কে তুমি? কী চাও এখানে?"
১৮. প্রশ্ন: দ্রোণের প্রশ্নের উত্তরে একলব্য নিজের বাবার কী পরিচয় দিয়েছিল?
উত্তর: একলব্য পরিচয় দিয়েছিল যে সে এক শিকারির ছেলে।
১৯. প্রশ্ন: একলব্য দ্রোণকে কী শেখানোর জন্য অনুরোধ করেছিল?
উত্তর: একলব্য দ্রোণকে তির চালনা শেখানোর জন্য অনুরোধ করেছিল।
২০. প্রশ্ন: দ্রোণ কীভাবে একলব্যকে জিজ্ঞেস করেছিলেন— "তা এখানে কেন?"
উত্তর: দ্রোণ ভ্রূ কুঁচকে জিজ্ঞেস করেছিলেন।
২১. প্রশ্ন: কেমন মুখে দ্রোণ একলব্যকে ফিরে যেতে বলেছিলেন?
উত্তর: বিরক্ত মুখে দ্রোণ একলব্যকে ফিরে যেতে বলেছিলেন।
২২. প্রশ্ন: দ্রোণ একলব্যকে ফিরিয়ে দেওয়ার সময় তাকে কী বলে সম্বোর্ডন করেছিলেন?
উত্তর: দ্রোণ একলব্যকে 'বাছা' বলে সম্বোধন করেছিলেন।
২৩. প্রশ্ন: দ্রোণ একলব্যকে কী কারণে তির চালনা শেখাতে রাজী হননি?
উত্তর: কারণ দ্রোণ শুধু রাজকুমারদের তির চালনা শেখাতেন, কোনো শিকারির ছেলেকে নয়।
২৪. প্রশ্ন: দ্রোণ ফিরিয়ে দেওয়ার পর একলব্যের মুখের অবস্থা কেমন হয়েছিল?
উত্তর: দ্রোণ ফিরিয়ে দেওয়ার পর একলব্যের মুখ কালো হয়ে গেল।
২৫. প্রশ্ন: দ্রোণের কাছ থেকে একলব্য কেমন মুখে বনের দিকে চলে এলো?
উত্তর: দ্রোণের কাছ থেকে একলব্য মলিন মুখে চলে এলো।
২৬. প্রশ্ন: ফিরে আসার সময় একলব্য নিজের মনে মনে কী ভাবল বা কী সিদ্ধান্ত নিল?
উত্তর: সে ভাবল, এখন থেকে সে নিজেই তির চালনার অনুশীলন করবে।
২৭. প্রশ্ন: অনেক বছর কেটে যাওয়ার পর রাজপুত্ররা তির-ধনুক চালনায় কেমন হয়ে উঠেছিল?
উত্তর: রাজপুত্ররা তির-ধনুক চালনায় পারদর্শী হয়ে উঠেছিল।
২৮. প্রশ্ন: অনেক বছর পর গুরু দ্রোণ রাজপুত্রদের কী নেওয়ার জন্য বনে এসেছিলেন?
উত্তর: গুরু দ্রোণ রাজপুত্রদের পরীক্ষা নিতে বনে এসেছিলেন।
২৯. প্রশ্ন: রাজপুত্রদের মধ্যে কে বা কত নম্বর জন সবচেয়ে ভালো তির নিক্ষেপ করতে পারত?
উত্তর: রাজপুত্রদের মধ্যে তৃতীয় জন সবচেয়ে ভালো তির নিক্ষেপ করতে পারত।
৩০. প্রশ্ন: বনের মধ্যে হঠাৎ কোন প্রাণীটি চোখের আড়াল হয়ে গেল?
উত্তর: বনের মধ্যে হঠাৎ একটি হরিণ চোখের আড়াল হয়ে গেল।
৩১. প্রশ্ন: শিকারি কুকুরটি কার সাথে বনে এসেছিল?
উত্তর: শিকারি কুকুরটি তৃতীয় রাজপুত্রের সাথে এসেছিল।
৩২. প্রশ্ন: বনের মধ্যে শিকারি কুকুরটি কার পিছু ছুটেছিল?
উত্তর: শিকারি কুকুরটি হরিণের পিছু ছুটেছিল।
৩৩. প্রশ্ন: শিকারি কুকুরটির মুখের চারপাশে কয়টি তির বিঁধে ছিল?
উত্তর: শিকারি কুকুরটির মুখের চারপাশে পাঁচটি তির বিঁধে ছিল।
৩৪. প্রশ্ন: কুকুরের মুখে তির বিঁধে থাকার পরেও কোন জিনিসটির দাগ বা লক্ষণ ছিল না?
উত্তর: কুকুরের মুখে এক ফোঁটা রক্তের দাগ বা যন্ত্রণার কোনো লক্ষণ ছিল না।
৩৫. প্রশ্ন: বনের ভেতর খুঁজতে খুঁজতে তৃতীয় রাজপুত্র কেমন জায়গা দেখতে পেল?
উত্তর: সে বনের এক জায়গায় উঠানের মতো একফালি জায়গা দেখতে পেল।
৩৬. প্রশ্ন: বনের ভেতরের সেই একফালি জায়গার চারপাশে কীসের বেড়া ছিল?
উত্তর: সেই জায়গার চারপাশে লতাপাতার বেড়া ছিল।
৩৭. প্রশ্ন: লতাপাতার বেড়া দেওয়া সেই জায়গায় এক যুবক কী করছিল?
উত্তর: সেখানে এক যুবক তির চালনার অনুশীলন করছিল।
৩৮. প্রশ্ন: তির চালনার অনুশীলন করার সময় যুবকের খেয়াল কোন দিকে ছিল না?
উত্তর: তির চালনার অনুশীলন করার সময় যুবকের খেয়াল কোনো দিকেই ছিল না।
৩৯. প্রশ্ন: যুবকটির তির মারার কৌশল দেখে কে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল?
উত্তর: যুবকটির তির মারার কৌশল দেখে তৃতীয় রাজপুত্র অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল।
৪০. প্রশ্ন: বনের যুবকের নিখুঁত তির চালনা দেখে তৃতীয় রাজপুত্রের কী ধুলায় মিশে গেল?
উত্তর: বনের যুবকের নিখুঁত তির চালনা দেখে তৃতীয় রাজপুত্রের অহংকার ধুলায় মিশে গেল।
৪১. প্রশ্ন: যুবকটি কার দিকে মুখ ঘুরিয়ে তাকিয়েছিল?
উত্তর: যুবকটি তৃতীয় রাজপুত্রের দিকে মুখ ঘুরিয়ে তাকিয়েছিল।
৪২. প্রশ্ন: যুবকটি কেমন মুখে স্বীকার করল যে সে-ই কুকুরের মুখে তির মেরেছে?
উত্তর: যুবকটি শান্ত ও নির্বিকার মুখে তা স্বীকার করেছিল।
৪৩. প্রশ্ন: কুকুরটি চিৎকার করে যুবকটির কীসের ব্যাঘাত ঘটাচ্ছিল?
উত্তর: কুকুরটি চিৎকার করে যুবকটির তির চালনার সাধনার ব্যাঘাত ঘটাচ্ছিল।
৪৪. প্রশ্ন: যুবকটি তিরের সাহায্যে কুকুরের কোন জিনিসটি বন্ধ করে দিয়েছিল?
উত্তর: যুবকটি তিরের সাহায্যে কুকুরের চিৎকার বা মুখ বন্ধ করে দিয়েছিল।
৪৫. প্রশ্ন: রাজপুত্র যখন যুবককে জিজ্ঞেস করল সে কার কাছে তির ছোড়া শিখেছে, যুবক কী উত্তর দিল?
উত্তর: যুবক উত্তর দিল— "গুরু দ্রোণের কাছে।"
৪৬. প্রশ্ন: কার নাম শুনে তৃতীয় রাজপুত্র চমকে উঠেছিল?
উত্তর: তাদের নিজেদের গুরু 'দ্রোণ'-এর নাম শুনে তৃতীয় রাজপুত্র চমকে উঠেছিল।
৪৭. প্রশ্ন: রাজপুত্র যখন দ্রুত গুরুর কাছে ফিরে এলো, তখন দ্রোণ ও অন্য রাজপুত্ররা কী করছিলেন?
উত্তর: তাঁরা তখন একটি গাছের ছায়ায় বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন।
৪৮. প্রশ্ন: দ্রোণ যখন রাজপুত্রের চোখমুখ দেখলেন, তখন সেখানে কী প্রকাশ পাচ্ছিল?
উত্তর: রাজপুত্রের চোখমুখে রাগ এবং বিস্ময় প্রকাশ পাচ্ছিল।
৪৯. প্রশ্ন: এতদিন গুরু দ্রোণ রাজপুত্রকে পৃথিবীর কী বলে ডাকতেন বা মনে করতেন?
উত্তর: গুরু দ্রোণ তাকে পৃথিবীর 'সেরা তিরন্দাজ' বলে মনে করতেন।
৫০. প্রশ্ন: কুকুরের মুখের তিরগুলো দেখে দ্রোণ কেমন হয়ে তাকিয়ে রইলেন?
উত্তর: কুকুরের মুখের তিরগুলো দেখে দ্রোণ হতভম্ভ হয়ে তাকিয়ে রইলেন।
৫১. প্রশ্ন: দ্রোণ একলব্যের ধনুর্বিদ্যা দেখে রাজপুত্রকে কীসের স্বীকারোক্তি দিয়েছিলেন?
উত্তর: দ্রোণ বলেছিলেন যে এমন আশ্চর্য ধনুর্বিদ্যা তিনি নিজেও জানেন না।
৫২. প্রশ্ন: তৃতীয় রাজপুত্র গুরু দ্রোণকে কার কাছে নিয়ে গেল?
উত্তর: তৃতীয় রাজপুত্র গুরু দ্রোণকে বনের সেই যুবক একলব্যের কাছে নিয়ে গেল।
৫৩. প্রশ্ন: গুরু দ্রোণকে দেখে যুবকটি (একলব্য) কী করল?
উত্তর: গুরু দ্রোণকে দেখে যুবকটি হাতের তির-ধনুক ফেলে ছুটে এল এবং পায়ের ধুলা নিয়ে প্রণাম করল।
৫৪. প্রশ্ন: একলব্য দ্রোণের পায়ের ধুলা নিয়ে নিজেকে কী বলে পরিচয় দিল?
উত্তর: একলব্য বলল— "আমি আপনার শিষ্য একলব্য।"
৫৫. প্রশ্ন: 'একলব্য' নাম শুনে দ্রোণের মনে কোন কথাটি পড়ে গেল?
উত্তর: 'একলব্য' নাম শুনে দ্রোণের মনে শিকারির ছেলের আগের সেই ফিরিয়ে দেওয়ার ঘটনাটি মনে পড়ে গেল।
৫৬. প্রশ্ন: একলব্যের পরিচয় পাওয়ার পর দ্রোণ খানিকক্ষণ কীভাবে বা কেমন করে ছিলেন?
উত্তর: একলব্যের পরিচয় পাওয়ার পর দ্রোণ খানিকক্ষণ নীরব বা চুপ হয়ে ছিলেন।
৫৭. প্রশ্ন: দ্রোণ একলব্যকে কী মনে করিয়ে দিলেন?
উত্তর: দ্রোণ মনে করিয়ে দিলেন যে, তিনি তাকে শিষ্য বলে গ্রহণ করেননি, বরং ফিরিয়ে দিয়েছিলেন।
৫৮. প্রশ্ন: একলব্য মনে মনে কাকে গুরু মেনে এতদিন অনুশীলন করেছিল?
উত্তর: একলব্য মনে মনে গুরু দ্রোণকেই নিজের গুরু মেনে এতদিন নিবিড় অনুশীলন করেছিল।
৫৯. প্রশ্ন: একলব্যের দিকে কে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলেন?
উত্তর: একলব্যের দিকে গুরু দ্রোণ নিজে অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকলেন।
৬০. প্রশ্ন: শেষ পর্যন্ত কোন জিনিসটি একলব্যকে পৃথিবীর সেরা তিরন্দাজ বানিয়েছিল?
উত্তর: একলব্যের দীর্ঘদিনের 'নিবিড় অনুশীলন' তাকে পৃথিবীর সেরা তিরন্দাজ বানিয়েছিল।
কাঠামোবদ্ধ / সৃজনশীল প্রশ্ন ও উত্তরপত্র (বাকি অংশ)
(ক) একলব্য কে ছিল? সে কেন গুরু দ্রোণের কাছে গিয়েছিল? গুরুর কাছে শিক্ষা পেলে তার কোন ইচ্ছা পূর্ণ হতো বলে সে মনে করেছিল? [১+২+২=৫]
প্রশ্ন: একলব্য কে ছিল?
উত্তর: একলব্য ছিল বনের এক সাধারণ শিকারির ছেলে, যে তির-ধনুক চালনায় অত্যন্ত আগ্রহী ছিল।
প্রশ্ন: সে কেন গুরু দ্রোণের কাছে গিয়েছিল?
উত্তর: একলব্য মনে মনে একজন মস্ত বড় বীর হতে চেয়েছিল। সে শুনেছিল যে রাজগুরু দ্রোণ রাজপুত্রদের তির চালনা শেখান। তাই তাঁর কাছ থেকে ধনুর্বিদ্যার শ্রেষ্ঠ শিক্ষা পাওয়ার আশায় সে দ্রোণের কাছে গিয়েছিল।
প্রশ্ন: গুরুর কাছে শিক্ষা পেলে তার কোন ইচ্ছা পূর্ণ হতো বলে সে মনে করেছিল?
উত্তর: একলব্যের বিশ্বাস ছিল, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ শিক্ষক গুরু দ্রোণের কাছে সরাসরি তির চালনা শিখতে পারলে তার মস্ত বীর হওয়ার স্বপ্ন এবং মনের ইচ্ছা পুরোপুরি পূর্ণ হবে।
(খ) রাজবাড়ির মাঠে ঢুকে একলব্য কী দেখতে পেয়েছিল? সেখানে গুরু দ্রোণ কী করছিলেন? একলব্য কেন সরাসরি গুরুর কাছে যেতে পারেনি? [২+১+২=৫]
প্রশ্ন: রাজবাড়ির মাঠে ঢুকে একলব্য কী দেখতে পেয়েছিল?
উত্তর: সাহসে বুক বেঁধে রাজবাড়ির মাঠে ঢুকে একলব্য দেখতে পেল যে, রাজপুত্ররা অত্যন্ত মনোযোগ দিয়ে ধনুক থেকে তির ছোড়ার নিবিড় অনুশীলন করছে।
প্রশ্ন: সেখানে গুরু দ্রোণ কী করছিলেন?
উত্তর: সেখানে রাজপুত্রদের গুরু দ্রোণ একদিকে শান্তভাবে বসে রাজকুমারদের তির চালনা করা দেখছিলেন।
প্রশ্ন: একলব্য কেন সরাসরি গুরুর কাছে যেতে পারেনি?
উত্তর: রাজবাড়ির রাজকীয় পরিবেশ, রাজপুত্রদের জাঁকজমক এবং গুরু দ্রোণের গম্ভীর রাজকীয় উপস্থিতি দেখে একলব্যের মনে গভীর দ্বিধা ও সংকোচ তৈরি হয়েছিল। কেবল এই তীব্র সংকোচ ও সাহসের অভাবেই সে সরাসরি গুরুর কাছে এগিয়ে যেতে পারেনি।
(গ) "তুমি কে? কোত্থেকে এসেছ?"—উক্তিটি কার? উক্তিটির জবাবে একলব্য নিজের কী পরিচয় দিয়েছিল এবং গুরু দ্রোণ তাকে দেখে কী প্রশ্ন করেছিলেন? [১+২+২=৫]
প্রশ্ন: "তুমি কে? কোত্থেকে এসেছ?"—উক্তিটি কার?
উত্তর: উক্তিটি রাজবাড়ির মাঠে অনুশীলনরত হঠাৎ দেখতে পাওয়া এক রাজপুত্রের।
প্রশ্ন: উক্তিটির জবাবে একলব্য নিজের কী পরিচয় দিয়েছিল?
উত্তর: রাজপুত্রের এই প্রশ্নের জবাবে একলব্য প্রথমে চুপ ছিল। পরে গুরু দ্রোণ যখন তাকে কাছে ডাকেন, তখন সে বিনীতভাবে পরিচয় দেয় যে সে এক সাধারণ শিকারির ছেলে এবং তার নাম একলব্য।
প্রশ্ন: গুরু দ্রোণ তাকে দেখে কী প্রশ্ন করেছিলেন?
উত্তর: একলব্যকে রাজবাড়ির মাঠে দেখে গুরু দ্রোণ প্রথমে তাকে কাছে ডেকে জিজ্ঞেস করেছিলেন, "কে তুমি? কী চাও এখানে?" এবং পরবর্তীতে তার পরিচয় জানার পর ভ্রূ কুঁচকে প্রশ্ন করেছিলেন, "তা এখানে কেন?"
(ঘ) গুরু দ্রোণ একলব্যকে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে কেন অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন? দ্রোণ একলব্যকে ফিরিয়ে দেওয়ার সময় কী বলেছিলেন? [২+৩=৫]
প্রশ্ন: গুরু দ্রোণ একলব্যকে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে কেন অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন?
উত্তর: প্রাচীন রাজকীয় নিয়ম অনুযায়ী, রাজগুরু দ্রোণ কেবল রাজপরিবারের সন্তানদের বা রাজকুমারদেরই ধনুর্বিদ্যা শিক্ষা দিতেন। একলব্য একজন সাধারণ শিকারির ছেলে হওয়ায় সামাজিক নিয়মের কারণে দ্রোণ তাকে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে অস্বীকৃতি জানান।
প্রশ্ন: দ্রোণ একলব্যকে ফিরিয়ে দেওয়ার সময় কী বলেছিলেন?
উত্তর: গুরু দ্রোণ অত্যন্ত বিরক্ত মুখে একলব্যকে ফিরিয়ে দেওয়ার সময় বলেছিলেন, "শোনো বাছা। আমি শুধু রাজকুমারদের শেখাই। তুমি ফিরে যাও।"
(ঙ) গুরু দ্রোণের প্রত্যাখ্যানের পর একলব্যের মনের অবস্থা কেমন হয়েছিল? সে মলিন মুখে ফিরে এসে নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য বনে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং কীভাবে সাধনা শুরু করেছিল? [২+৩=৫]
প্রশ্ন: গুরু দ্রোণের প্রত্যাখ্যানের পর একলব্যের মনের অবস্থা কেমন হয়েছিল?
উত্তর: গুরু দ্রোণ তাকে শিষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে সরাসরি মানা করে দেওয়ায় একলব্যের মন ভেঙে যায় এবং তার মুখ কালো হয়ে যায়। সে অত্যন্ত মলিন ও দুঃখী মুখে সেখান থেকে বনের দিকে ফিরে আসে।
প্রশ্ন: সে মলিন মুখে ফিরে এসে নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য বনে কী সিদ্ধান্ত নিয়েছিল এবং কীভাবে সাধনা শুরু করেছিল?
উত্তর: গুরুর কাছে প্রত্যাখ্যাত হয়েও একলব্য নিজের বীর হওয়ার স্বপ্ন বিসর্জন দেয়নি। সে সিদ্ধান্ত নেয় যে, কেউ তাকে না শেখালেও সে বনের মধ্যে একা একাই নিজের চেষ্টায় তির চালনা অনুশীলন করবে। এই উদ্দেশ্যে সে বনে গিয়ে গুরু দ্রোণের একটি নিখুঁত মাটির মূর্তি তৈরি করে। প্রতিদিন সকালে গুরুর সেই মাটির murtir চরণে প্রণাম জানিয়ে, তাকেই নিজের পথপ্রদর্শক মেনে সে গভীর মনোযোগ দিয়ে একা একা ধনুর্বিদ্যার কঠোর সাধনা শুরু করে।
(চ) অনেক বছর কেটে যাওয়ার পর রাজপুত্রদের অবস্থা কেমন হয়েছিল? গুরু দ্রোণ কেন রাজপুত্রদের নিয়ে বনে এসেছিলেন এবং সেখানে বনের মধ্যে কী ঘটনা ঘটেছিল? [১+২+২=৫]
প্রশ্ন: অনেক বছর কেটে যাওয়ার পর রাজপুত্রদের অবস্থা কেমন হয়েছিল?
উত্তর: অনেক বছর কেটে যাওয়ার পর রাজপুত্ররা অনেক বড় হয়ে উঠেছিল এবং গুরু দ্রোণের শিক্ষায় তারা তির-ধনুক চালনায় অত্যন্ত পারদর্শী ও দক্ষ হয়ে উঠেছিল।
প্রশ্ন: গুরু দ্রোণ কেন রাজপুত্রদের নিয়ে বনে এসেছিলেন?
উত্তর: রাজপুত্ররা অস্ত্র চালনায় কতটা দক্ষ হয়েছে, তা যাচাই করার জন্য এবং তাদের একটি চূড়ান্ত পরীক্ষা নেওয়ার জন্য গুরু দ্রোণ একদিন রাজপুত্রদের নিয়ে বনে এসেছিলেন।
প্রশ্ন: সেখানে বনের মধ্যে কী ঘটনা ঘটেছিল?
উত্তর: বনের মধ্যে রাজপুত্ররা যখন লক্ষ্যভেদের চেষ্টা করছিল, তখন হঠাৎ একটি হরিণ চোখের আড়াল হয়ে যায়। তৃতীয় রাজপুত্রের শিকারি কুকুরটি হরিণটির পিছু পিছু তাড়া করতে গিয়ে বনের গভীরে ঢুকে পড়ে এবং সেখানে একলব্যের সাধনার জায়গায় গিয়ে উচ্চস্বরে ডাকতে শুরু করে।
(ছ) বনের ভেতর শিকারি কুকুরটির সাথে কী ঘটেছিল? কুকুরটির মুখে তির বিঁধে থাকার পরও কোন দুটি অদ্ভুত বা আশ্চর্য বিষয় দেখে তৃতীয় রাজপুত্র স্তম্ভিত হয়েছিল? [২+৩=৫]
প্রশ্ন: বনের ভেতর শিকারি কুকুরটির সাথে কী ঘটেছিল?
উত্তর: বনের ভেতর শিকারি কুকুরটি চিৎকার করে একলব্যের ধনুর্বিদ্যার সাধনায় বিঘ্ন ঘটাচ্ছিল। তখন একলব্য তার অলৌকিক নিশানা দিয়ে কুকুরটির মুখের চারপাশে এমনভাবে পাঁচটি তির বিঁধে দেয় যাতে তার মুখটি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।
প্রশ্ন: কুকুরটির মুখে তির বিঁধে থাকার পরও কোন দুটি অদ্ভুত বা আশ্চর্য বিষয় দেখে তৃতীয় রাজপুত্র স্তম্ভিত হয়েছিল?
উত্তর: কুকুরটির মুখে ওভাবে তির বিঁধে থাকার পরও রাজপুত্র যে দুটি আশ্চর্য বিষয় দেখে স্তম্ভিত হয়েছিল, তা হলো:
১) কুকুরের মুখের চারপাশে পাঁচটি তির বিঁধে থাকা সত্ত্বেও তার মুখে এক ফোঁটা রক্তের দাগ ছিল না।
২) কুকুরটি কোনো যন্ত্রণায় ছটফট করছিল না, অর্থাৎ তার শরীরে কষ্টের কোনো লক্ষণই দেখা যাচ্ছিল না।
(জ) বনের গভীরের একফালি জায়গায় তৃতীয় রাজপুত্র কী দেখতে পেয়েছিল? যুবকটির তির চালনার অনুশীলন দেখে রাজপুত্রের কেমন প্রতিক্রিয়া হয়েছিল? [৩+২=৫]
প্রশ্ন: বনের গভীরের একফালি জায়গায় তৃতীয় রাজপুত্র কী দেখতে পেয়েছিল?
উত্তর: কুকুরের পিছু পিছু বনের গভীরে গিয়ে তৃতীয় রাজপুত্র দেখতে পেল, বনের এক জায়গায় উঠানের মতো একফালি পরিষ্কার জায়গা রয়েছে, যার চারপাশ লতাপাতার বেড়া দিয়ে ঘেরা। সেখানে এক অজানা যুবক চারপাশের কোনো দিকে খেয়াল না রেখে অত্যন্ত একাগ্র চিত্তে তির চালনার অনুশীলন করছে।
প্রশ্ন: যুবকটির তির চালনার অনুশীলন দেখে রাজপুত্রের কেমন প্রতিক্রিয়া হয়েছিল?
উত্তর: যুবকটির তির মারার কৌশল দেখে তৃতীয় রাজপুত্র অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। এতদিন নিজেকে পৃথিবীর সেরা তিরন্দাজ মনে করা রাজপুত্রের মনে তীব্র বিস্ময় ও ধাক্কা লেগেছিল এবং যুবকের চমৎকার নিপুণতা দেখে সে স্তম্ভিত হয়ে গিয়েছিল।
(ঝ) "এখন নিজের অহংকার ধুলায় মিশে গেল"—এখানে কার অহংকার কেন ধুলায় মিশে গেল? গল্প অবলম্বনে নিজের ভাষায় ৫টি বাক্যে বুঝিয়ে লেখো। [৫]
প্রশ্ন: "এখন নিজের অহংকার ধুলায় মিশে গেল"—এখানে কার অহংকার কেন ধুলায় মিশে গেল? গল্প অবলম্বনে নিজের ভাষায় ৫টি বাক্যে বুঝিয়ে লেখো।
উত্তর:
১) এখানে গুরু দ্রোণের প্রধান শিষ্য অর্থাৎ তৃতীয় রাজপুত্রের (অর্জুনের) মনের শ্রেষ্ঠত্বের অহংকার ধুলায় মিশে গিয়েছিল।
২) রাজপুত্র রাজপ্রাসাদে সেরা সুযোগ-সুবিধা পেয়ে নিজেকে পৃথিবীর একমাত্র এবং অদ্বিতীয় সেরা তিরন্দাজ মনে করত।
৩) কিন্তু বনের মধ্যে এক সাধারণ যুবকের করা অলৌকিক লক্ষ্যভেদ দেখে তার সেই ভুল ধারণা সম্পূর্ণ ভেঙে যায়।
৪) সে দেখে যে, রাজকীয় কোনো সাহায্য ছাড়াই বনের এক যুবক তার চেয়েও অনেক নিখুঁত ও নিপুণভাবে তির ছুঁড়তে পারে।
৫) নিজের চেয়েও বহুগুণ শ্রেষ্ঠ এক বীরের এই অবিশ্বাস্য ধনুর্বিদ্যা চোখের সামনে দেখে রাজপুত্রের দীর্ঘদিনের অহংকার মুহূর্তের মধ্যে চূর্ণ হয়ে যায়।
(ঞ) কুকুরটির মুখে তির মারার কারণ হিসেবে একলব্য রাজপুত্রের কাছে শান্তভাবে কী যুক্তি দিয়েছিল? সে কুকুরটির কোনো ক্ষতি করেনি—তা কীভাবে প্রমাণিত হয়? [৩+২=৫]
প্রশ্ন: কুকুরটির মুখে তির মারার কারণ হিসেবে একলব্য রাজপুত্রের কাছে শান্তভাবে কী যুক্তি দিয়েছিল?
উত্তর: রাজপুত্রের ক্রুদ্ধ প্রশ্নের জবাবে একলব্য শান্তভাবে নির্বিকার মুখে যুক্তি দিয়েছিল যে, কুকুরটি বনের মধ্যে অনবরত উচ্চস্বরে চিৎকার করছিল। এই চিৎকারের কারণে বনের মধ্যে একলব্যের তির চালনার নিবিড় সাধনায় প্রচণ্ড ব্যাঘাত বা বিঘ্ন ঘটছিল, তাই সে তির মেরেছিল।
প্রশ্ন: সে কুকুরটির কোনো ক্ষতি করেনি—তা কীভাবে প্রমাণিত হয়?
উত্তর: একলব্য কুকুরের মুখে এমন নিখুঁত কৌশলে তিরগুলো গেঁথে দিয়েছিল যে, কুকুরটির মুখ থেকে এক ফোঁটা রক্তও ঝরেনি এবং তার কোনো কষ্টও হয়নি। তিরের আঘাত লেগেও কুকুরের শরীরে কোনো যন্ত্রণার লক্ষণ না থাকাই প্রমাণ করে যে একলব্য তার কোনো ক্ষতি করেনি, কেবল তার চিৎকার বন্ধ করে দিয়েছিল।
(ট) "এমন আশ্চর্য বিদ্যা আমি নিজেই জানি না"—উক্তিটি কার এবং কাকে উদ্দেশ্য করে বলা? উক্তিটির মাধ্যমে বক্তার মনের কোন ভাব প্রকাশ পেয়েছে? [২+৩=৫]
প্রশ্ন: "এমন আশ্চর্য বিদ্যা আমি নিজেই জানি না"—উক্তিটি কার এবং কাকে উদ্দেশ্য করে বলা?
উত্তর: উক্তিটি স্বয়ং রাজগুরু দ্রোণের। তিনি তাঁর প্রিয় শিষ্য তৃতীয় রাজপুত্রকে উদ্দেশ্য করে বনের যুবকের (একলব্যের) তির চালনার অলৌকিক কৌশল দেখে এই কথা বলেছিলেন।
প্রশ্ন: উক্তিটির মাধ্যমে বক্তার মনের কোন ভাব প্রকাশ পেয়েছে?
উত্তর: এই উক্তিটির মাধ্যমে গুরু দ্রোণের চরম বিস্ময়, হতভম্ভ ভাব এবং একলব্যের বিদ্যার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ পেয়েছে। দ্রোণ নিজে একজন শ্রেষ্ঠ শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও কুকুরের মুখে রক্তপাতহীন লক্ষ্যভেদের এই অলৌকিক কৌশল দেখে স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি অকপটে স্বীকার করেছেন যে, এই অসাধারণ ও নিখুঁত ধনুর্বিদ্যা তাঁর নিজেরও জানা নেই, যা তাঁর ভেতরের সততা ও নম্রতাকে প্রকাশ করে।
(ঠ) একলব্য কীভাবে গুরু দ্রোণকে নিজের গুরু বলে মেনে নিয়েছিল? দ্রোণ সরাসরি শিক্ষা না দেওয়া সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত সে কীভাবে সেরা তিরন্দাজ হয়ে উঠল? [২+৩=৫]
প্রশ্ন: একলব্য কীভাবে গুরু দ্রোণকে নিজের গুরু বলে মেনে নিয়েছিল?
উত্তর: গুরু দ্রোণ একলব্যকে ফিরিয়ে দিলেও, একলব্য মন থেকে দ্রোণকে ছাড়া অন্য কাউকে গুরু ভাবেনি। সে বনে ফিরে গিয়ে দ্রোণের একটি মাটির মূর্তি তৈরি করে এবং প্রতিদিন সকালে সেই মূর্তির পা ছুঁয়ে প্রণাম করে নিজের তির চালনার চর্চা শুরু করত। গুরুর প্রতি এই মানসিক ভক্তিই তাকে এগিয়ে নিয়ে যায়।
প্রশ্ন: দ্রোণ সরাসরি শিক্ষা না দেওয়া সত্ত্বেও শেষ পর্যন্ত সে কীভাবে সেরা তিরন্দাজ হয়ে উঠল?
উত্তর: দ্রোণ তাকে সরাসরি শিক্ষা না দেওয়া সত্ত্বেও একলব্যের মনের তীব্র ইচ্ছাশক্তি, গুরুর প্রতি অটল ভক্তি এবং বছরের পর বছর ধরে করা নিবিড় ও কঠোর অনুশীলনই তাকে সেরা করে তুলেছিল। সে কোনো মানুষের সাহায্য না পেয়ে প্রকৃতির বুকেই দিন-রাত এক করে তির ছোঁড়ার অভ্যাস বজায় রেখেছিল, আর এই একাগ্র সাধনাই তাকে শেষ পর্যন্ত পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ তিরন্দাজ বানিয়েছিল।