শ্রেণী; পঞ্চম | বিষয়: প্রাথমিক বিজ্ঞান | নবম অধ্যায়: পরিবেশ সংরক্ষণ
শ্রেণী; পঞ্চম
বিষয়: প্রাথমিক বিজ্ঞান
নবম অধ্যায়: পরিবেশ সংরক্ষণ
সারসংক্ষেপ: পরিবেশ হলো মানুষ, প্রাণী, গাছপালা ও জলবায়ুর সমন্বয়। মাটি, পানি ও বায়ু দূষিত হলে পরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মানুষের অব্যবস্থাপনা, শিল্পবর্জ্য, পলিথিন, রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহারে দূষণ বৃদ্ধি পায়। দূষিত পরিবেশে শ্বাসকষ্ট, ফুসফুসের রোগ, ফসল ক্ষয় এবং পানির অযোগ্যতা দেখা দেয়। পরিবেশ সংরক্ষণে আবর্জনা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা, পুনর্ব্যবহারযোগ্য পদার্থ ব্যবহার, শিল্পবর্জ্য পরিশোধন, গাছ লাগানো ও সচেতন আচরণ জরুরি। পানি, মাটি ও বায়ুর দূষণ রোধ করলে আমাদের জীবন ও প্রাকৃতিক পরিবেশ সুস্থ থাকে এবং পৃথিবী বাসযোগ্য থাকে।
অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
১. পরিবেশে মাটি, পানি, বায়ু, আলো, গাছপালা, প্রাণী ও মানুষের বসবাস অন্তর্ভুক্ত।
২. স্বাভাবিক পরিবেশে জীব ভালোভাবে বাঁচতে পারে।
৩. মাটি, পানি, বায়ুতে ক্ষতিকর পদার্থ ঢোকার ফলে পরিবেশ দূষিত হয়।
৪. পরিবেশ দূষণ মানুষ ও জীবের জীবনকে প্রভাবিত করে।
৫. মাটি ও পানিতে আবর্জনা, মানুষের মল, প্রাণীর মল দূষণ সৃষ্টি করে।
৬. শিল্পকারখানা ও হাসপাতালের বর্জ্য মাটি ও পানি দূষিত করে।
৭. পলিথিন ফেলা ও অতিরিক্ত সার-কীটনাশক ব্যবহার পরিবেশ দূষণ ঘটায়।
৮. গাড়ি ও ইটভাটার ধোঁয়া বায়ু দূষণ করে।
৯. পলিথিন পোড়ানোও বায়ু দূষণ সৃষ্টি করে।
১০. দূষিত মাটি, পানি ও বায়ুতে ভিন্নভাবে প্রভাব ফেলে।
১১. মাটি দূষণের কারণে ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
১২. পানি দূষণ পানীয় পানি ব্যবহারের অযোগ্য করে।
১৩. দূষিত পানি মাছ ও জলজ প্রাণীর ক্ষতি করে।
১৪. বায়ু দূষণে শ্বাসকষ্ট, অ্যাজমা ও ফুসফুসের ক্যান্সার দেখা দেয়।
১৫. বায়ু দূষণ পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ালে।
১৬. হিমবাহ গলে সমুদ্রপৃষ্ঠ বৃদ্ধি পায়।
১৭. নিছু ভূমি পানিতে ডুবে যায়।
১৮. দূষিত পানি দিয়ে ফসল ধোয়া মানুষকে অসুস্থ করে।
১৯. মাটি দূষণে জমির উর্বরাতা কমে।
২০. জমিতে চাষাবাদ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
২১. কৃষকের আর্থিক ক্ষতি হয়।
২২. রাসায়নিক সার ও কীটনাশক কমিয়ে জৈব সার ব্যবহার পরিবেশ রক্ষা করে।
২৩. আবর্জনা নির্ধারিত স্থানে ফেলা মাটি দূষণ কমায়।
২৪. পুনর্ব্যবহারযোগ্য পণ্য ব্যবহারে দূষণ রোধ হয়।
২৫. গাছের শিকড় মাটিকে ধরে রাখে।
২৬. শিল্পবর্জ্য পরিশোধন করে পানি দূষণ রোধ করা যায়।
২৭. প্লাস্টিক ও আবর্জনা নদীতে না ফেললে দূষণ কমানো যায়।
২৮. সার ও কীটনাশক ব্যবহারে সতর্কতা প্রয়োজন।
২৯. পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত করলে পানি দূষণ কমে।
৩০. পরিবেশবান্ধব যানবাহন বায়ু দূষণ কমায়।
৩১. গাড়ি ও কারখানা ধোঁয়া নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।
৩২. পলিথিন ও প্লাস্টিক পোড়ানো বন্ধ করতে হবে।
৩৩. বনায়ন ও বেশি গাছ লাগানো বায়ু দূষণ কমায়।
৩৪. বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অপচয় রোধ পরিবেশকে রক্ষা করে।
৩৫. ময়লা-আবর্জনা নির্ধারিত স্থানে ফেলা পরিবেশ সংরক্ষণে সহায়ক।
৩৬. পুনর্ব্যবহারযোগ্য পদার্থ ব্যবহার পরিবেশকে রক্ষা করে।
৩৭. স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার পরিবেশ দূষণ কমায়।
৩৮. শিল্পকারখানার বর্জ্য পরিশোধন করে দূষণ কমানো যায়।
৩৯. বাড়ি, বিদ্যালয় ও খালি জমিতে গাছ লাগানো বায়ু দূষণ কমায়।
৪০. সামাজিক বনায়ন পরিবেশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ।
৪১. মানুষ ও শিক্ষার্থী সচেতন হলে পরিবেশ সংরক্ষণ সহজ হয়।
৪২. পরিবেশ সংরক্ষণে পানি, মাটি ও বায়ুর দূষণ রোধ জরুরি।
৪৩. পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধে নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা প্রয়োজন।
৪৪. শিল্পায়ন ও নগরায়ন সঠিক পরিকল্পনায় করলে দূষণ কমে।
৪output
৪৫. পরিবেশ সংরক্ষণে শিক্ষামূলক প্রচারণা কার্যকর।
৪৬. পরিবেশ দূষণ মানুষের স্বাস্থ্য ও জীবনকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
৪৭. পানি দূষণ ফসল উৎপাদন ও প্রোটিন সরবরাহে প্রভাব ফেলে।
৪৮. দূষণ নিয়ন্ত্রণে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার জরুরি।
৪৯. প্রাকৃতিক উপাদান রক্ষা পরিবেশ সংরক্ষণে সহায়ক।
৫০. সচেতনতা ও দায়িত্বশীল আচরণ পরিবেশকে সুস্থ রাখে।
ধারাবাহিক, সামষ্টিক ও বৃত্তি পরীক্ষার উপযোগী: প্রশ্ন ও উত্তর
বহুনির্বাচনী প্রশ্নোত্তর
১. পরিবেশের মধ্যে নিচের কোনটি অন্তর্ভুক্ত?
ক. শুধুমাত্র পানি
খ. শুধুমাত্র গাছপালা
গ. মাটি, পানি, বায়ু, গাছপালা ও প্রাণী
ঘ. শুধু প্রাণী
উত্তর: গ. মাটি, পানি, বায়ু, গাছপালা ও প্রাণী।
২. স্বাভাবিক পরিবেশে কে ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারে?
ক. মানুষ
খ. মেশিন
গ. কলকারখানা
ঘ. গাড়ি
উত্তর: ক. মানুষ।
৩. পরিবেশ দূষিত হয় যখন—
ক. গাছপালা রোপণ করা হয়
খ. মাটি ও পানিতে ক্ষতিকর পদার্থ মিশে
গ. বায়ু বিশুদ্ধ থাকে
ঘ. সূর্যের আলো পড়ে
উত্তর: খ. মাটি ও পানিতে ক্ষতিকর পদার্থ মিশে।
৪. পরিবেশ দূষিত হলে—
ক. জীবন সহজ হয়
খ. পরিবেশ আরও সুন্দর হয়
গ. জীবের বসবাসের সমস্যা হয়
ঘ. ফসল বৃদ্ধি পায়
উত্তর: গ. জীবের বসবাসের সমস্যা হয়।
৫. পরিবেশ রক্ষা করা—
ক. জরুরি নয়
খ. বিলাসিতা
গ. সময় নষ্ট
ঘ. প্রয়োজনীয়
উত্তর: ঘ. প্রয়োজনীয়।
১. পরিবেশ দূষণের উৎস ও কারণ
৬. পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণ কী?
ক. গাছ লাগানো
খ. মানুষের কার্যকলাপ
গ. নদীর পানি
ঘ. আকাশের মেঘ
উত্তর: খ. মানুষের কার্যকলাপ।
৭. মাটি ও পানি দূষিত হয়—
ক. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা থেকে
খ. সূর্যালোকের কারণে
গ. গাছ রোপণের মাধ্যমে
ঘ. যেখানে সেখানে বর্জ্য ফেলার মাধ্যমে
উত্তর: ঘ. যেখানে সেখানে বর্জ্য ফেলার মাধ্যমে।
৮. কৃষিকাজে পরিবেশ দূষণের কারণ হলো—
ক. অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার
খ. জৈব সার ব্যবহার
গ. জমি চাষ
ঘ. ফসল সংগ্রহ
উত্তর: ক. অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার।
৯. নিচের কোনটি বায়ু দূষণের কারণ?
ক. নদীর পানি
খ. বৃষ্টির পানি
গ. ইটভাটার ধোঁয়া
ঘ. বাতাস
উত্তর: গ. ইটভাটার ধোঁয়া।
১০. নিচের কোনটি পানি দূষণ করে?
ক. গাছের ছায়া
খ. শিল্পকারখানার তরল বর্জ্য
গ. পরিষ্কার পানি
ঘ. বৃষ্টির জল
উত্তর: খ. শিল্পকারখানার তরল বর্জ্য।
১১. পলিথিন পোড়ালে ফলে সৃষ্টি হয়—
ক. স্বচ্ছ বায়ু
খ. ঠাণ্ডা আবহাওয়া
গ. বৃষ্টিপাত
ঘ. ধোঁয়া
উত্তর: ঘ. ধোঁয়া।
১২. হাসপাতালের বর্জ্য কোনটি দূষণ ঘটায়?
ক. বায়ু
খ. মাটি ও পানি
গ. আলো
ঘ. সূর্যের তাপ
উত্তর: খ. মাটি ও পানি।
১৩. নিচের কোনটি মাটি দূষণের একটি উৎস?
ক. যেখানে সেখানে মলমূত্র ফেলা
খ. কৃষিকাজে জৈব সার
গ. নদীর প্রবাহ
ঘ. গাছের ছায়া
উত্তর: ক. যেখানে সেখানে মলমূত্র ফেলা।
১৪. পরিবেশ দূষণ হলে—
ক. জীবজগৎ আনন্দে থাকে
খ. মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে
গ. বাতাস ঠাণ্ডা হয়
ঘ. নদী পরিষ্কার হয়
উত্তর: খ. মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ে।
১৫. ইটভাটা থেকে কী ধরনের দূষণ সৃষ্টি হয়?
ক. শব্দদূষণ
খ. জলদূষণ
গ. বায়ু দূষণ
ঘ. মাটি উর্বরতা
উত্তর: গ. বায়ু দূষণ।
২. পরিবেশ দূষণের প্রভাব
১৬. মাটি, পানি ও বায়ু দূষণের কারণে—
ক. তাপমাত্রা কমে যায়
খ. মানুষের আয়ু বাড়ে
গ. পরিবেশের ওপর প্রভাব পড়ে
ঘ. বৃষ্টি বেশি হয়ে যায়
উত্তর: গ. পরিবেশের ওপর প্রভাব পড়ে।
১৭. বায়ু দূষণের ফলে—
ক. গাছপালা মরে যায়
খ. বাতাসের মাধ্যমে দুর্গন্ধ ও রোগ জীবাণু ছড়ায়
গ. বৃষ্টি হয় না
ঘ. পাখির সংখ্যা বাড়ে
উত্তর: খ. বাতাসের মাধ্যমে দুর্গন্ধ ও রোগ জীবাণু ছড়ায়।
১৮. বায়ু দূষণের কারণে পৃথিবীর—
ক. বরফ বাড়ে
খ. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়
গ. নদী শুকিয়ে যায়
ঘ. বরফ অক্ষত থাকে
উত্তর: খ. তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
১৯. দূষিত বায়ুতে শ্বাস নেওয়ার ফলে—
ক. ক্ষুধা বেড়ে যায়
খ. চুল পড়ে যায়
গ. চোখের রোগ হয়
ঘ. ফুসফুসে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হয়
উত্তর: ঘ. ফুসফুসে বিভিন্ন রোগের সৃষ্টি হয়।
২০. পানি দূষণের কারণে—
ক. মাছ ও জলজ প্রাণীর ক্ষতি হয়
খ. আরও শক্তিশালী হয়
গ. পানির গুণগত মান বাড়ে
ঘ. মাছের সংখ্যা বাড়ে
উত্তর: ক. মাছ ও জলজ প্রাণীর ক্ষতি হয়।
২১. পানি দূষণের ফলে মানুষ—
ক. কলেরা, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়
খ. আরও শক্তিশালী হয়
গ. ঠাণ্ডা লেগে যায়
ঘ. রোগমুক্ত থাকে
উত্তর: ক. কলেরা, ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়।
২২. মাটি দূষণের কারণে—
ক. চাষাবাদ সহজ হয়
খ. ফসলের উৎপাদন বেড়ে যায়
গ. গাছপালা দ্রুত জন্মে
ঘ. জমির উর্বরতা কমে যায়
উত্তর: ঘ. জমির উর্বরতা কমে যায়।
২৩. দূষিত মাটিতে উৎপাদিত ফসল খেয়ে—
ক. স্বাস্থ্য ভালো থাকে
খ. রোগ কমে যায়
গ. মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়
ঘ. পুষ্টি বৃদ্ধি পায়
উত্তর: গ. মানুষের স্বাস্থ্যের ক্ষতি হয়।
২৪. মাটি দূষণের কারণে মারা যায়—
ক. কেঁচো ও উপকারী জীবজন্তু
খ. পাখি
গ. গরু
ঘ. মাছ
উত্তর: ক. কেঁচো ও উপকারী জীবজন্তু।
২৫. বায়ু দূষণের ফলে পৃথিবীর নিচু ভূমি—
ক. সমুদ্র থেকে দূরে সরে যায়
খ. বরফে ঢেকে যায়
গ. পানিতে ডুবে যায়
ঘ. পাহাড়ে পরিণত হয়
উত্তর: গ. পানিতে ডুবে যায়।
৩. পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ
২৬. মাটি দূষণ রোধে কোনটি ব্যবহার করা উচিত?
ক. রাসায়নিক সার
খ. কীটনাশক
গ. জৈব সার
ঘ. অতিরিক্ত পানি
উত্তর: গ. জৈব সার।
২৭. মাটি দূষণ কমাতে কোন ব্যাগ ব্যবহার করা ভালো?
ক. প্লাস্টিক
খ. কাপড়
গ. পলিথিন
ঘ. ধাতব
উত্তর: খ. কাপড়।
২৮. কলকারখানার বর্জ্য দূষণ কমাতে কী করতে হবে?
ক. নদীতে ফেলে দিতে হবে
খ. আগুনে পোড়াতে হবে
গ. পরিশোধন করে যথাস্থানে ফেলতে হবে
ঘ. ড্রেনে ফেলতে হবে
উত্তর: গ. পরিশোধন করে যথাস্থানে ফেলতে হবে।
২৯. পানি দূষণ রোধে শিল্পবর্জ্য কীভাবে ফেলতে হবে?
ক. ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট দিয়ে পরিশোধন করে
খ. সরাসরি নদীতে
গ. আবর্জনার সাথে
ঘ. মাঠে
উত্তর: ক. ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট দিয়ে পরিশোধন করে।
৩০. নদী ও খালে আবর্জনা না ফেলে—
ক. পোড়ানো উচিত
খ. ড্রেনে ফেলা উচিত
গ. নদীর তীরে রাখা উচিত
ঘ. যথাস্থানে ফেলা উচিত
উত্তর: ঘ. যথাস্থানে ফেলা উচিত।
৩১. পানি দূষণ রোধে সার ও কীটনাশক ব্যবহারে—
ক. উদাসীন থাকতে হবে
খ. সতর্ক থাকতে হবে
গ. বেশি ব্যবহার করতে হবে
ঘ. কোনো ব্যবস্থা নিতে হবে না
উত্তর: খ. সতর্ক থাকতে হবে।
৩২. বায়ু দূষণ রোধে কোন যানবাহন ব্যবহার করা উচিত?
ক. ডিজেল গাড়ি
খ. পেট্রোল গাড়ি
গ. সিএনজি ও ইলেকট্রিক গাড়ি
ঘ. জাহাজ
উত্তর: গ. সিএনজি ও ইলেকট্রিক গাড়ি।
৩৩. কারখানার ধোঁয়া কমাতে কী ব্যবহার করা উচিত?
ক. ফিল্টার
খ. বালু
গ. কাপড়
ঘ. চুলা
উত্তর: ক. ফিল্টার।
৩৪. বায়ু দূষণ রোধে কোনটি বন্ধ করতে হবে?
ক. সাইকেল চালানো
খ. গাছ লাগানো
গ. ইলেকট্রিক গাড়ি চালানো
ঘ. পলিথিন পোড়ানো
উত্তর: ঘ. পলিথিন পোড়ানো।
৩৫. বায়ু দূষণ রোধে গাছ লাগানো—
ক. পরিবেশের ক্ষতি করে
খ. পরিবেশ দূষণ বাড়ায়
গ. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে
ঘ. বায়ু দূষণ বাড়ায়
উত্তর: গ. পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করে।
৪. পরিবেশ সংরক্ষণ
৩৬. পরিবেশ সংরক্ষণে প্রথমে কী করা উচিত?
ক. পানি অপচয় করা
খ. বিদ্যুৎ অপচয় করা
গ. দূষণকারী কাজ পরিহার করা
ঘ. বন ধ্বংস করা
উত্তর: গ. দূষণকারী কাজ পরিহার করা।
৩৭. পুকুর-খালবিল-নদীতে কী ফেলা যাবে না?
ক. পলিথিন
খ. পানি
গ. বীজ
ঘ. তরল বর্জ্য
উত্তর: ঘ. তরল বর্জ্য।
৩৮. পরিবেশ দূষণ রোধে বর্জ্য পদার্থ ফেলা উচিত—
ক. যেখানে সেখানে
খ. নদীর তীরে
গ. নির্দিষ্ট স্থানে
ঘ. রাস্তায়
উত্তর: গ. নির্দিষ্ট স্থানে।
৩৯. পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে হবে—
ক. পুনর্ব্যবহার করার জন্য
খ. নষ্ট করতে
গ. নদীতে ফেলতে
ঘ. পোড়াতে
উত্তর: ক. পুনর্ব্যবহার করার জন্য।
৪০. জ্বালানি ও বিদ্যুৎ অপচয় রোধ করলে—
ক. পরিবেশ রক্ষা করা যায়
খ. পানি দূষণ হয়
গ. বন ধ্বংস হয়
ঘ. কোনো পরিবর্তন হয় না
উত্তর: ক. পরিবেশ রক্ষা করা যায়।
৪১. খোলা পায়খানা ব্যবহার করলে—
ক. বিদ্যুৎ সাশ্রয় হয়
খ. পরিবেশ সংরক্ষিত হয়
গ. গাছ বাড়ে
ঘ. পরিবেশ দূষণ বাড়ে
উত্তর: ঘ. পরিবেশ দূষণ বাড়ে।
৪২. শিল্পকারখানার কঠিন বর্জ্য ফেলা উচিত—
ক. সরাসরি মাটিতে
খ. নদীতে
গ. পরিশোধন করে
ঘ. মাঠে
উত্তর: গ. পরিশোধন করে।
৪৩. বায়ুদূষণ কমাতে কী করা যেতে পারে?
ক. খালি জমিতে গাছ লাগানো
খ. গাছ কাটা
গ. ধোঁয়া উৎপাদন
ঘ. নদীতে বর্জ্য ফেলা
উত্তর: ক. খালি জমিতে গাছ লাগানো।
৪৪. সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে—
ক. পানি দূষণ হয়
খ. বায়ু দূষণ কমানো যায়
গ. শব্দ দূষণ বাড়ে
ঘ. মাটি নষ্ট হয়
উত্তর: খ. বায়ু দূষণ কমানো যায়।
৪৫. পরিবেশ সংরক্ষণে সচেতন করা উচিত—
ক. শুধু শিক্ষককে
খ. শুধু কৃষককে
গ. বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকার মানুষকে
ঘ. শুধু শহরের মানুষকে
উত্তর: গ. বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও এলাকার মানুষকে।
শূন্যস্থান পূরণ
১–৫
১. আমাদের চারপাশের উপাদান নিয়েই — গঠিত।
২. পরিবেশে মাটি, পানি, বায়ু, আলো, — ইত্যাদি রয়েছে।
৩. স্বাভাবিক পরিবেশে মানুষসহ — ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারে।
৪. মাটি, পানি, বায়ুতে ক্ষতিকর কিছু প্রবেশ করলে পরিবেশ — হয়।
৫. পরিবেশ দূষিত হলে জীবের — সমস্যা হয়।
উত্তর:
১. পরিবেশ
২. ঘরবাড়ি
৩. অন্যান্য জীব
৪. দূষিত
৫. বসবাসের
৬–১০
৬. নদী, পাহাড়, গাছপালা, পশু-পাখি ও পরিবেশের —।
৭. কলকারখানা থেকে নির্গত ধোঁয়া — সৃষ্টি করে।
৮. পরিবেশ সংরক্ষণ করা খুবই —।
৯. গাড়ির ধোঁয়া পরিবেশকে — করে।
১০. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পরিবেশ — সাহায্য করে।
উত্তর:
৬. উপাদান
৭. দূষণ
৮. প্রয়োজনীয়
৯. দূষিত
১০. সংরক্ষণে
১. পরিবেশ দূষণের উৎস ও কারণ
১১–১৫
১১. পরিবেশ দূষণের অন্যতম কারণ হলো —।
১২. মাটি ও পানি দূষিত হয় — ফেলার কারণে।
১৩. কৃষিকাজে অতিরিক্ত — ও কীটনাশক ব্যবহার পরিবেশের ক্ষতি করে।
১৪. গাড়ি ও — ধোঁয়া থেকে বায়ু দূষিত হয়।
১৫. পলিথিন পোড়ানো থেকে — সৃষ্টি হয়।
উত্তর:
১১. মানুষের কার্যকলাপ
১২. বর্জ্য
১৩. সার
১৪. ইটভাটার
১৫. ধোঁয়া
১৬–২০
১৬. শিল্পকারখানার — বর্জ্য পানি দূষণ করে।
১৭. বায়ু দূষিত হলে মানুষের — হয়।
১৮. যেখানে সেখানে — ফেলা পরিবেশের ক্ষতি করে।
১৯. হাসপাতালের বর্জ্য মাটি ও — দূষিত করে।
২০. পলিথিন একটি — পদার্থ।
উত্তর:
১৬. তরল
১৭. স্বাস্থ্যঝুঁকি
১৮. পলিথিন
১৯. পানি
২০. ক্ষতিকর
২. পরিবেশ দূষণের প্রভাব
২১–২৫
২১. মাটি, পানি ও বায়ু দূষণের কারণে — এর ওপর বিভিন্ন প্রভাব পড়ে।
২২. বায়ু দূষণের কারণে বাতাসের মাধ্যমে — ও রোগ-জীবাণু ছড়ায়।
২৩. বায়ু দূষণের কারণে পৃথিবীর — বৃদ্ধি পাচ্ছে।
২৪. দূষিত বায়ুতে শ্বাস নেওয়ার কারণে মানুষের — আক্রান্ত হয়।
২৫. পানি দূষণের ফলে — পানি কমে যায়।
উত্তর:
২১. পরিবেশ
২২. দুর্গন্ধ
২৩. তাপমাত্রা
২৪. ফুসফুস
২৫. নিরাপদ
২৬–৩০
২৬. দূষিত পানি ব্যবহারের ফলে — কমে যায়।
২৭. পানি দূষণের কারণে মানুষ — রোগে আক্রান্ত হয়।
২৮. মাটি দূষণের কারণে জমির — কমে।
২৯. দূষিত মাটিতে উৎপাদিত ফসল খেয়ে মানুষ — রোগে আক্রান্ত হয়।
৩০. মাটি দূষণের ফলে — মারা যায়।
উত্তর:
২৬. ফসল উৎপাদন
২৭. পানিবাহিত
২৮. উর্বরতা
২৯. চর্মরোগ
৩০. কেঁচো ও উপকারী জীবজন্তু
৩. পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ
৩১–৩৫
৩১. মাটি দূষণ রোধে — সার ব্যবহার করা উচিত।
৩২. প্লাস্টিক বা পলিথিনের পরিবর্তে — ব্যাগ ব্যবহার করা যায়।
৩৩. কলকারখানার বর্জ্য — করে ফেলতে হবে।
৩৪. পানি দূষণ রোধে শিল্পবর্জ্য — দিয়ে পরিশোধন করতে হয়।
৩৫. নদীতে — না ফেলে যথাস্থানে ফেলা উচিত।
উত্তর:
৩১. জৈব
৩২. কাপড় বা পাটের
৩৩. পরিশোধন
৩৪. ট্রিটমেন্ট প্ল্যান্ট
৩৫. আবর্জনা
৩৬–৪০
৩৬. সার ও কীটনাশক ব্যবহারে — থাকা জরুরি।
৩৭. বায়ু দূষণ রোধে — চালিত গাড়ি ব্যবহার করা উচিত।
৩৮. কারখানায় ধোঁয়া কমাতে — বসাতে হবে।
৩৯. বায়ু দূষণ রোধে — পোড়ানো বন্ধ করতে হবে।
৪০. গাছের শিকড় — রোধ করে।
উত্তর:
৩৬. সতর্ক
৩৭. সিএনজি
৩৮. ফিল্টার
৩৯. পলিথিন ও প্লাস্টিক
৪০. মাটির ক্ষয়
৪. পরিবেশ সংরক্ষণ
৪১–৪৫
৪১. পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য দূষণকারী — পরিহার করতে হবে।
৪২. পুকুরে — ফেলা যাবে না।
৪৩. বর্জ্য পদার্থ — স্থানে ফেলতে হবে।
৪৪. — ও প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহার করে পরিবেশ রক্ষা করা যায়।
৪৫. — ও জ্বালানির অপচয় রোধ করা দরকার।
উত্তর:
৪১. কাজ
৪২. তরল বর্জ্য
৪৩. নির্দিষ্ট
৪৪. পলিথিন
৪৫. বিদ্যুৎ
৪৬–৫০
৪৬. খোলা পায়খানা ব্যবহার না করে — পায়খানা ব্যবহার করা উচিত।
৪৭. শিল্পকারখানার কঠিন বর্জ্য — করে ফেলা উচিত।
৪৮. খালি জমিতে — লাগিয়ে বায়ুদূষণ কমানো যায়।
৪৯. সামাজিক — পরিবেশ সংরক্ষণে ভূমিকা রাখে।
৫০. পরিবেশ সংরক্ষণে এলাকার মানুষকে — করা প্রয়োজন।
উত্তর:
৪৬. স্বাস্থ্যসম্মত
৪৭. পরিশোধন
৪৮. গাছ
৪৯. বনায়ন
৫০. সচেতন
মিলকরণ:
০১. বাম পাশের বাক্যাংশের সাথে ডান পাশের বাক্যাংশ মিল করে বাক্য লিখ:
উত্তর: ১ + ঘ; ২ + চ; ৩ + ক; ৪ + ঙ; ۵ + গ।
১. পরিবেশ দূষণের উৎস ও কারণ
০২. বাম পাশের বাক্যাংশের সাথে ডান পাশের বাক্যাংশ মিল করে বাক্য লিখ:
উত্তর: ১ + খ; ২ + ঘ; ৩ + ক; ৪ + ঙ; ৫ + চ।
২. পরিবেশ দূষণের প্রভাব
০৩. বাম পাশের বাক্যাংশের সাথে ডান পাশের বাক্যাংশ মিল করে বাক্য লিখ:
উত্তর: ১ + ঙ; ২ + ছ; ৩ + ক; ৪ + ঘ; ৫ + চ।
৩. পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ
০৪. বাম পাশের বাক্যাংশের সাথে ডান পাশের বাক্যাংশ মিল করে বাক্য লিখ:
উত্তর: ১ + ঘ; ২ + ক; ৩ + ছ; ৪ + ঙ; ৫ + খ।
০৫. বাম পাশের বাক্যাংশের সাথে ডান পাশের বাক্যাংশ মিল করে বাক্য লিখ:
উত্তর: ১ + ক; ২ + চ; ৩ + ছ; ৪ + ঙ; ৫ + ঘ।
৪. পরিবেশ সংরক্ষণ
০৬. বাম পাশের বাক্যাংশের সাথে ডান পাশের বাক্যাংশ মিল করে বাক্য লিখ:
উত্তর: ১ + ঘ; ২ + চ; ৩ + ছ; ৪ + ক; ৫ + খ।
সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন
প্রতিটি প্রশ্নের মান: ২
১. পরিবেশ কী?
উত্তর:
আমাদের চারপাশের মাটি, পানি, বায়ু, আলো, গাছপালা, পশু-পাখি, নদী, পাহাড় ইত্যাদি নিয়ে পরিবেশ গঠিত। মানুষ ও অন্যান্য জীব পরিবেশের ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে।
২. পরিবেশ দূষিত হলে কী ধরনের সমস্যা হয়?
উত্তর:
পরিবেশ দূষিত হলে মাটি, পানি ও বায়ু নষ্ট হয়। ফলে মানুষ ও অন্যান্য জীব বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয় এবং স্বাভাবিকভাবে বসবাস করতে পারে না।
১. পরিবেশ দূষণের উৎস ও কারণ
৩. পরিবেশ দূষণ কীভাবে ঘটে?
উত্তর:
মানুষের বিভিন্ন কাজের কারণে পরিবেশ দূষিত হয়। যেমন— যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলা, অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার, গাড়ি ও ইটভাটার ধোঁয়া এবং কলকারখানার বর্জ্য পরিবেশ দূষণ করে।
৪. পানি দূষণের প্রধান কারণগুলো কী?
উত্তর:
শিল্পকারখানার তরল বর্জ্য, মলমূত্র, পলিথিন ও আবর্জনা পানিতে ফেললে পানি দূষিত হয়। অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহারও পানি দূষণের একটি কারণ।
২. পরিবেশ দূষণের প্রভাব
৫. বায়ু দূষণের প্রধান প্রভাবগুলো কী কী?
উত্তর:
বায়ু দূষণের ফলে মানুষ ও পশু-পাখির শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। এতে বিভিন্ন শ্বাসকষ্ট ও ফুসফুসের রোগ হতে পারে এবং পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
৬. পানি দূষণের কারণে পরিবেশে কী ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়?
উত্তর:
পানি দূষিত হলে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর ক্ষতি হয়। মানুষ দূষিত পানি পান করলে কলেরা, ডায়রিয়া ও আমাশয়ের মতো রোগে আক্রান্ত হতে পারে।
৭. মাটি দূষণ কৃষির ওপর কী প্রভাব ফেলে?
উত্তর:
মাটি দূষণের ফলে জমির উর্বরতা কমে যায় এবং উপকারী কেঁচো ও জীবাণু মারা যায়। ফলে ফসলের উৎপাদন কমে যায় এবং কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৮. দূষিত মাটি ও পানি মানবস্বাস্থ্যের জন্য কেন ক্ষতিকর?
উত্তর:
দূষিত মাটি ও পানি থেকে উৎপাদিত ফসল ও পানি ব্যবহার করলে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হতে পারে। যেমন— চর্মরোগ, কলেরা ও ডায়রিয়া।
৯. পরিবেশ দূষণের ফলে পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভারসাম্যের ওপর কী প্রভাব পড়ে?
উত্তর:
পরিবেশ দূষণের ফলে পৃথিবীর প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট হয়। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়, বরফ গলে যায় এবং জীববৈচিত্র্য ও মানুষের জীবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
৩. পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ
১০. মাটি দূষণ রোধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায়?
উত্তর:
মাটি দূষণ রোধে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সার ব্যবহার করতে হবে। পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার কমিয়ে বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে এবং বেশি করে গাছ লাগাতে হবে।
১১. পানি দূষণ রোধে মানুষের কী করণীয়?
উত্তর:
নদী, খাল ও পুকুরে আবর্জনা ফেলা যাবে না। শিল্পবর্জ্য পরিশোধন করে ফেলতে হবে এবং সার ও কীটনাশক ব্যবহারে সতর্ক থাকতে হবে।
১২. বায়ু দূষণ রোধে যানবাহনের ভূমিকা কী?
উত্তর:
বায়ু দূষণ কমাতে সিএনজি, ইলেকট্রিক গাড়ি ও সাইকেলের মতো পরিবেশবান্ধব যানবাহন ব্যবহার করা উচিত। গাড়ির ইঞ্জিন নিয়মিত পরীক্ষা ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে।
১৩. গাছ লাগানো পরিবেশ রক্ষায় কীভাবে সহায়ক?
উত্তর:
গাছ কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্রহণ করে অক্সিজেন ছাড়ে এবং বাতাস পরিষ্কার রাখে। গাছ মাটির ক্ষয় রোধ করে ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
১৪. সচেতনতা বৃদ্ধি পরিবেশ দূষণ রোধে কীভাবে সহায়ক?
উত্তর:
মানুষ সচেতন হলে যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলবে না এবং পলিথিনের ব্যবহার কমাবে। তারা গাছ লাগাবে ও পানি, মাটি ও বায়ু দূষণ থেকে পরিবেশ রক্ষা করবে।
৪. পরিবেশ সংরক্ষণ
১৫. পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য কী কী করণীয় আছে?
উত্তর:
পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলা বন্ধ করতে হবে এবং পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে হবে। গাছ লাগানো, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অপচয় রোধ এবং মানুষকে সচেতন করতে হবে।
১৬. সামাজিক বনায়ন কীভাবে পরিবেশ রক্ষা করে?
উত্তর:
সামাজিক বনায়নের মাধ্যমে সবাই মিলে গাছ লাগানো ও পরিচর্যা করা হয়। এতে বায়ুদূষণ কমে, অক্সিজেন বাড়ে, মাটির ক্ষয় রোধ হয় এবং পরিবেশের ভারসাম্য বজায় থাকে।
কাঠামোবদ্ধ প্রশ্ন ও উত্তর
প্রতিটি প্রশ্নের মান: ৬
১. পরিবেশ দূষণের কারণ ও এর প্রভাব সম্পর্কে আলোচনা কর।
উত্তর:
পরিবেশ হলো আমাদের চারপাশের মাটি, পানি, বায়ু, গাছপালা, পশু-পাখি, নদী, পাহাড় ইত্যাদির সমষ্টি। মানুষের বিভিন্ন কাজের কারণে পরিবেশ দূষিত হয়। যেমন— যেখানে-সেখানে বর্জ্য ফেলা, কলকারখানা ও গাড়ির ধোঁয়া, নদী-খালে ময়লা ফেলা এবং অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার।
পরিবেশ দূষণের ফলে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়, শ্বাস নিতে কষ্ট হয়, পানির গুণ নষ্ট হয় এবং মাটির উর্বরতা কমে যায়। গাছপালা ও পশু-পাখিরও ক্ষতি হয়। তাই গাছ লাগানো, বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা এবং দূষণকারী কাজ বন্ধ করা প্রয়োজন।
২. পরিবেশ সংরক্ষণের উপায় ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আমাদের কিছু ভালো অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে। বেশি করে গাছ লাগাতে হবে এবং গাছ কাটা বন্ধ করতে হবে। নদী, খাল ও পুকুরে ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না। কলকারখানার বর্জ্য পরিশোধন করে ফেলতে হবে।
পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে হবে এবং সম্ভব হলে পুনর্ব্যবহার করতে হবে। পানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অপচয় বন্ধ করতে হবে। সবাইকে পরিবেশ রক্ষার বিষয়ে সচেতন করতে হবে। এভাবে সম্মিলিতভাবে কাজ করলে পরিবেশ সুন্দর ও নিরাপদ থাকবে।
১. পরিবেশ দূষণের উৎস ও কারণ
৩. পরিবেশ দূষণের উৎস ও কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা কর।
উত্তর:
পরিবেশ দূষণের প্রধান কারণ হলো মানুষের অসচেতন কাজ। যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা ও মলমূত্র ফেলা হলে মাটি ও পানি দূষিত হয়। কৃষিকাজে অতিরিক্ত সার ও কীটনাশক ব্যবহার করলেও পরিবেশের ক্ষতি হয়।
কলকারখানা ও হাসপাতালের বর্জ্য পরিবেশ দূষণ করে। গাড়ি ও ইটভাটার ধোঁয়া এবং পলিথিন পোড়ানোর ধোঁয়া বায়ু দূষিত করে। এসব দূষণের কারণে মানুষ ও অন্যান্য জীবের ক্ষতি হয়। তাই পরিবেশ দূষণের কারণগুলো সম্পর্কে সবাইকে সচেতন হতে হবে।
৪. পরিবেশ দূষণ রোধে মানুষের করণীয় ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
পরিবেশ দূষণ রোধে মানুষকে সচেতন হতে হবে। যেখানে-সেখানে ময়লা-আবর্জনা ও মলমূত্র ফেলা বন্ধ করতে হবে। পলিথিনের ব্যবহার কমিয়ে কাপড় বা পাটের ব্যাগ ব্যবহার করতে হবে।
কৃষিকাজে জৈব সার ব্যবহার এবং কীটনাশকের ব্যবহার কমাতে হবে। কলকারখানার বর্জ্য পরিশোধন করে ফেলতে হবে এবং গাড়ি ও ইটভাটার ধোঁয়া কমাতে হবে। বেশি করে গাছ লাগিয়ে পরিচ্ছন্ন পরিবেশ বজায় রাখতে হবে। সবাই দায়িত্বশীল হলে পরিবেশ দূষণ অনেকটাই কমানো সম্ভব।
২. পরিবেশ দূষণের প্রভাব
৫. পরিবেশ দূষণের বিভিন্ন প্রভাব বর্ণনা করো।
উত্তর:
পরিবেশ দূষণের ফলে মাটি, পানি ও বায়ুর গুণ নষ্ট হয়। বায়ু দূষণের কারণে মানুষের শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং বিভিন্ন ফুসফুসের রোগ হতে পারে। পৃথিবীর তাপমাত্রাও বৃদ্ধি পায়।
পানি দূষণের ফলে মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণীর ক্ষতি হয় এবং মানুষ কলেরা, ডায়রিয়ার মতো রোগে আক্রান্ত হতে পারে। মাটি দূষণের কারণে জমির উর্বরতা কমে যায় এবং ফসলের উৎপাদন কমে। এভাবে পরিবেশ দূষণ মানুষ, প্রাণী ও প্রকৃতির জন্য ক্ষতিকর।
৬. বায়ু, পানি ও মাটি দূষণের মধ্যে সম্পর্ক ও এর ক্ষতিকর দিক ব্যাখ্যা করো।
উত্তর:
বায়ু, পানি ও মাটি একে অপরের সঙ্গে সম্পর্কিত। একটি দূষিত হলে অন্যগুলোর ওপরও প্রভাব পড়ে। যেমন, বায়ুতে ক্ষতিকর ধোঁয়া মিশলে তা পরিবেশের ক্ষতি করে এবং বৃষ্টির মাধ্যমে মাটি ও পানিতেও দূষিত পদার্থ যেতে পারে।
দূষিত পানি মাটির ক্ষতি করতে পারে এবং দূষিত মাটিতে উৎপাদিত ফসলও ক্ষতিকর হতে পারে। এসব দূষণের ফলে মানুষ বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয় এবং গাছপালা ও প্রাণীর ক্ষতি হয়। তাই মাটি, পানি ও বায়ু—তিনটিকেই দূষণমুক্ত রাখা প্রয়োজন।
৩. পরিবেশ দূষণ প্রতিরোধ
৭. মাটি, পানি ও বায়ু দূষণ রোধে করণীয় বর্ণনা করো।
উত্তর:
মাটি দূষণ রোধে রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জৈব সার ব্যবহার করতে হবে এবং পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে হবে। বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে।
পানি দূষণ রোধে নদী, খাল ও পুকুরে ময়লা-আবর্জনা ফেলা যাবে না। শিল্পকারখানার বর্জ্য পরিশোধন করে ফেলতে হবে। বায়ু দূষণ রোধে গাড়ির ধোঁয়া কমাতে হবে, কারখানায় ফিল্টার ব্যবহার করতে হবে এবং পলিথিন পোড়ানো বন্ধ করতে হবে। পাশাপাশি বেশি করে গাছ লাগাতে হবে।
৮. সচেতনতা ও প্রযুক্তির মাধ্যমে কীভাবে পরিবেশ দূষণ রোধ করা যায়?
উত্তর:
পরিবেশ রক্ষায় মানুষের সচেতনতা ও আধুনিক প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ। সচেতন মানুষ নদী, খাল ও পুকুরে ময়লা ফেলে না, পলিথিনের ব্যবহার কমায় এবং বেশি করে গাছ লাগায়।
আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে কলকারখানার বর্জ্য পরিশোধন করা যায়। কারখানায় ফিল্টার ব্যবহার করে ধোঁয়া ও ধুলা কমানো যায়। পরিবেশবান্ধব যানবাহন ব্যবহার করেও বায়ু দূষণ কমানো সম্ভব। তাই সচেতনতা ও প্রযুক্তি একসঙ্গে ব্যবহার করলে পরিবেশ দূষণ অনেক কমানো যায়।
৪. পরিবেশ সংরক্ষণ
৯. পরিবেশ সংরক্ষণের গুরুত্ব ও করণীয় ব্যাখ্যা কর।
উত্তর:
মানুষ ও অন্যান্য জীবের বেঁচে থাকার জন্য পরিষ্কার বায়ু, বিশুদ্ধ পানি ও উর্বর মাটি প্রয়োজন। তাই পরিবেশ সংরক্ষণ করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পরিবেশ রক্ষায় নদী, খাল ও পুকুরে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ করতে হবে।
পলিথিন ও প্লাস্টিকের ব্যবহার কমাতে হবে এবং বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে ফেলতে হবে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অপচয় বন্ধ করতে হবে। স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা ব্যবহার করতে হবে এবং বেশি করে গাছ লাগাতে হবে। সবাইকে সচেতন করে পরিবেশ সংরক্ষণে অংশ নিতে হবে।
১০. শিল্পকারখানার বর্জ্য ও পরিবেশ সংরক্ষণ বিষয়ে তোমার মতামত দাও।
উত্তর:
শিল্পকারখানার বর্জ্য সরাসরি মাটি, পানি ও বায়ুতে ফেললে পরিবেশের অনেক ক্ষতি হয়। এতে মাটির উর্বরতা কমে, পানি দূষিত হয় এবং বাতাসে ক্ষতিকর পদার্থ ছড়িয়ে পড়ে।
তাই শিল্পকারখানার বর্জ্য পরিশোধন করে ফেলতে হবে। কারখানায় বর্জ্য পরিশোধনের ব্যবস্থা ও ধোঁয়া কমানোর জন্য ফিল্টার ব্যবহার করতে হবে। সরকার ও জনগণকে এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। সঠিকভাবে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা করলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করা সম্ভব।