পঞ্চম শ্রেণীর বৃত্তি কোচিং 2026 - বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় - ক্লাস নং ২ (অধ্যায় ১: জলবায়ু পরিবর্তন)
পঞ্চম শ্রেণীর বৃত্তি কোচিং 2026
বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
ক্লাস নং ২
(অধ্যায় ১: জলবায়ু পরিবর্তন)
📘 অধ্যায় ১: গুরুত্বপূর্ণ শব্দার্থ
🔹 মৌলিক ধারণা
🌱 ১. আবহাওয়া
✅ অর্থ: স্বল্প সময়ের তাপমাত্রা, বৃষ্টি ও বাতাসের অবস্থা
🔁 সমার্থক: দিনের অবস্থা
📝 নোট: আজ বৃষ্টি/রোদ—এটাই আবহাওয়া
🌍 ২. জলবায়ু
✅ অর্থ: দীর্ঘ সময়ের (৩০–৩৫ বছর) আবহাওয়ার গড়
🔁 সমার্থক: দীর্ঘমেয়াদি আবহাওয়া
📝 নোট: কোনো এলাকার স্থায়ী আবহাওয়ার ধরন
🔥 ৩. জলবায়ু পরিবর্তন
✅ অর্থ: দীর্ঘ সময় ধরে আবহাওয়ার পরিবর্তন
🔁 সমার্থক: জলবায়ুর বদল
📝 নোট: পৃথিবী ধীরে ধীরে গরম হওয়া
🔹 প্রাকৃতিক দুর্যোগ
⚡ ৪. বজ্রপাত
✅ অর্থ: আকাশে বিদ্যুতের ঝলক
🔁 সমার্থক: বিদ্যুৎ চমক
🌊 ৫. বন্যা
✅ অর্থ: অতিরিক্ত পানিতে এলাকা ডুবে যাওয়া
🔁 সমার্থক: প্লাবন
💧 ৬. জলাবদ্ধতা
✅ অর্থ: কোথাও পানি জমে থাকা
🔁 সমার্থক: পানি জমা
☀️ ৭. খরা
✅ অর্থ: দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়া
🔁 সমার্থক: অনাবৃষ্টি
📝 নোট: এতে জমি শুকিয়ে যায়
🌪️ ৮. ঘূর্ণিঝড়
✅ অর্থ: শক্তিশালী ঘূর্ণায়মান ঝড়
🔁 সমার্থক: সাইক্লোন
🌊 ৯. জলোচ্ছ্বাস
✅ অর্থ: সমুদ্রের পানি হঠাৎ বেড়ে উপকূলে ঢোকা
🔁 সমার্থক: সামুদ্রিক প্লাবন
⛰️ ১০. ভূমিধস
✅ অর্থ: পাহাড় বা মাটি ধসে পড়া
🔁 সমার্থক: মাটি ধস
🔹 পরিবেশ ও বিজ্ঞান
🌫️ ১১. বায়ুদূষণ
✅ অর্থ: বাতাস নোংরা হয়ে যাওয়া
🔁 সমার্থক: বায়ুর দূষণ
🌡️ ১২. তাপমাত্রা
✅ অর্থ: গরম বা ঠান্ডার মাত্রা
🔁 সমার্থক: উষ্ণতার পরিমাণ
💨 ১৩. আর্দ্রতা
✅ অর্থ: বাতাসে পানির পরিমাণ
🔁 সমার্থক: ভেজাভাব
🌍 ১৪. সমুদ্রপৃষ্ঠ
✅ অর্থ: সমুদ্রের পানির উচ্চতা
🔁 সমার্থক: সমুদ্রের স্তর
🧂 ১৫. লবণাক্ততা
✅ অর্থ: পানিতে লবণের পরিমাণ
🔁 সমার্থক: নোনাভাব
💧 ১৬. ভূগর্ভস্থ পানি
✅ অর্থ: মাটির নিচের পানি
🔁 সমার্থক: নিচের পানি
🔹 গ্যাস ও জ্বালানি
🛢️ ১৭. জীবাশ্ম জ্বালানি
✅ অর্থ: কয়লা, তেল, গ্যাসের মতো জ্বালানি
🔁 সমার্থক: প্রাকৃতিক জ্বালানি
🌫️ ১৮. কার্বন ডাই-অক্সাইড (CO₂)
✅ অর্থ: একটি ক্ষতিকর গ্যাস
📝 নোট: বেশি হলে পৃথিবী গরম হয়
☁️ ১৯. গ্রিনহাউস গ্যাস
✅ অর্থ: তাপ আটকে রাখে এমন গ্যাস
🔁 সমার্থক: তাপধারক গ্যাস
❄️ ২০. CFC গ্যাস
✅ অর্থ: ফ্রিজ ও এসি থেকে বের হওয়া ক্ষতিকর গ্যাস
📝 নোট: ওজোন স্তর নষ্ট করে
🔹 সমাজ ও অর্থনীতি
🍚 ২১. খাদ্যনিরাপত্তা
✅ অর্থ: পর্যাপ্ত খাদ্য পাওয়ার নিশ্চয়তা
🔁 সমার্থক: খাদ্যের নিশ্চয়তা
💸 ২২. দারিদ্র্য
✅ অর্থ: গরিব অবস্থা
🔁 সমার্থক: অভাব
🏚️ ২৩. উদ্বাস্তু
✅ অর্থ: নিজের জায়গা ছেড়ে অন্যত্র যাওয়া মানুষ
🔁 সমার্থক: শরণার্থী
⚕️ ২৪. স্বাস্থ্যঝুঁকি
✅ অর্থ: অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা
🔁 সমার্থক: রোগের ঝুঁকি
🔹 পরিবেশ সংরক্ষণ
🌳 ২৫. বৃক্ষরোপণ
✅ অর্থ: গাছ লাগানো
🔁 সমার্থক: গাছ লাগানো
♻️ ২৬. রিসাইক্লিং
✅ অর্থ: পুরনো জিনিস পুনরায় ব্যবহার
🔁 সমার্থক: পুনর্ব্যবহার
☀️ ২৭. সৌরশক্তি
✅ অর্থ: সূর্যের শক্তি
🔁 সমার্থক: সূর্যশক্তি
🔋 ২৮. নবায়নযোগ্য শক্তি
✅ অর্থ: বারবার ব্যবহার করা যায় এমন শক্তি
🔁 সমার্থক: পুনঃব্যবহারযোগ্য শক্তি
🧱 ২৯. কংক্রিট ব্লক
✅ অর্থ: ইটের বিকল্প নির্মাণ সামগ্রী
🌿 ৩০. পরিবেশবান্ধব
✅ অর্থ: পরিবেশের ক্ষতি করে না
🔁 সমার্থক: প্রকৃতিবান্ধব
🔹 অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শব্দ
⚖️ ৩১. ভারসাম্য
✅ অর্থ: সমতা বা সামঞ্জস্য
🌾 ৩২. কৃষিজমি
✅ অর্থ: ফসল উৎপাদনের জমি
🐾 ৩৩. জীববৈচিত্র্য
✅ অর্থ: বিভিন্ন ধরনের প্রাণী ও উদ্ভিদ
🔁 সমার্থক: প্রাণবৈচিত্র্য
🚰 ৩৪. সুপেয় পানি
✅ অর্থ: খাওয়ার উপযোগী পানি
⚠️ ৩৫. দুর্যোগ
✅ অর্থ: বড় ধরনের ক্ষতিকর ঘটনা
🔁 সমার্থক: বিপর্যয়
📘 বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়
পঞ্চম শ্রেণী
অধ্যায় ১: জলবায়ু পরিবর্তন
📘 অধ্যায় ১: জলবায়ু পরিবর্তন
🔹 অনুচ্ছেদ ১: আবহাওয়া ও জলবায়ু
মূল প্যারা:
আগামীকাল সকালবেলা আকাশ রৌদ্রোজ্জ্বল থাকবে, বায়ু শান্ত থাকবে, দুপুরবেলা আকাশ মেঘলা থাকবে এবং রাতে বৃষ্টি হতে পারে। এটি আগামী দিনের সম্ভাব্য আবহাওয়ার চিত্র। কোনো নির্দিষ্ট স্থানের স্বল্প সময়ের গড় তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও আর্দ্রতাকে আবহাওয়া বলে।
সাধারণত একটি অঞ্চলের ৩০-৩৫ বছরের আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ করে জলবায়ু হিসাব করা হয়। যেমন— দীর্ঘদিনের আবহাওয়ার চিত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, বাংলাদেশে জুন-জুলাই মাসে বৃষ্টি হয় ও বাতাসে আর্দ্রতা বেশি থাকে। ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে শীত পড়ে, তখন বাতাসে আর্দ্রতা কম থাকে। এটিই জলবায়ুর চিত্র। কোনো স্থানের দীর্ঘ সময়ের বায়ুর তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও আর্দ্রতা ইত্যাদির গড় মানের হিসাবকে জলবায়ু বলে।
👉 সহজ ব্যাখ্যা
আবহাওয়া = অল্প সময়ের পরিবেশ (আজ/কাল)
জলবায়ু = অনেক বছরের গড় পরিবেশ
📖 কঠিন শব্দার্থ
আবহাওয়া = স্বল্প সময়ের পরিবেশ
👉 সমার্থক: পরিবেশের অবস্থাজলবায়ু = দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার গড়
👉 সমার্থক: পরিবেশগত ধরণআর্দ্রতা = বাতাসে পানির পরিমাণ
👉 সমার্থক: স্যাঁতসেঁতে ভাব
💡 কঠিন লাইনের ব্যাখ্যা
“৩০-৩৫ বছরের আবহাওয়ার গড়”
👉 অনেক বছর ধরে দেখে যে গড় অবস্থা পাওয়া যায় সেটাই জলবায়ু
🔹 অনুচ্ছেদ ২: জলবায়ু পরিবর্তন
মূল প্যারা:
বিভিন্ন কারণে জলবায়ু পরিবর্তন হলেও মূলত মানবসৃষ্ট কারণে জলবায়ু পরিবর্তন দ্রুত হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণগুলোর মধ্যে জীবাশ্ম জ্বালানি যেমন— কয়লা, তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের অতিরিক্ত ব্যবহার অন্যতম। এছাড়া কলকারখানা, যানবাহন, এসি ও ফ্রিজ থেকে নির্গত গ্যাস, ইটভাটার ধোঁয়া, বন উজাড় ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য। এসব কারণে পৃথিবীর তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পাচ্ছে। দুই মেরুর বরফ গলার সঙ্গে সঙ্গে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে। বিভিন্ন অঞ্চলে দেখা দিচ্ছে বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও ভূমিধসের মতো দুর্যোগ। ফলে প্রকৃতি, বন্যপ্রাণী, মানুষের জীবন এবং সম্পদের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় লবণাক্ত পানি প্রবেশ করে ক্ষতি করছে উপকূলীয় এলাকার কৃষিজমির। কম বৃষ্টিপাত ও অধিক পানি ব্যবহারের ফলে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। ফলে শুকিয়ে যাচ্ছে ফসলের মাঠ।
👉 সহজ ব্যাখ্যা
মানুষের কাজের কারণে পৃথিবী গরম হচ্ছে এবং জলবায়ু বদলে যাচ্ছে।
📖 কঠিন শব্দার্থ
জীবাশ্ম জ্বালানি = কয়লা, তেল, গ্যাস
👉 সমার্থক: প্রাকৃতিক জ্বালানিনিঃসরণ = বের হওয়া
👉 সমার্থক: নির্গমনউজাড় = ধ্বংস করা
👉 সমার্থক: নষ্ট করা
💡 কঠিন লাইনের ব্যাখ্যা
“সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ছে”
👉 বরফ গলে সমুদ্রের পানি বাড়ছে“ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে”
👉 মাটির নিচের পানি কমে যাচ্ছে
🔹 অনুচ্ছেদ ৩: জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব
মূল প্যারা:
জলবায়ু পরিবর্তন বেশি হলে দুর্যোগের আশঙ্কাও বেড়ে যায়। সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে গেলে অনেক এলাকা পানির নিচে স্থায়ীভাবে তলিয়ে যেতে পারে। খাদ্যনিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। সুপেয় পানির অভাব দেখা দিতে পারে।
👉 সহজ ব্যাখ্যা
জলবায়ু পরিবর্তন হলে বড় বড় বিপদ হতে পারে।
📖 কঠিন শব্দার্থ
দুর্যোগ = বড় বিপদ
👉 সমার্থক: বিপর্যয়খাদ্যনিরাপত্তা = খাবারের নিশ্চয়তা
👉 সমার্থক: খাদ্য সুরক্ষাসুপেয় পানি = পান করার উপযোগী পানি
👉 সমার্থক: বিশুদ্ধ পানি
💡 কঠিন লাইনের ব্যাখ্যা
“খাদ্যনিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন”
👉 খাবারের অভাব হতে পারে
🔹 অনুচ্ছেদ ৪: জলবায়ু পরিবর্তন রোধ
মূল প্যারা (ধারণাভিত্তিক):
বৃক্ষরোপণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, পরিবেশবান্ধব উপকরণ ব্যবহার এবং সৌরশক্তির ব্যবহার জলবায়ু পরিবর্তন রোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
👉 সহজ ব্যাখ্যা
ভালো কাজ করলে আমরা জলবায়ু পরিবর্তন কমাতে পারি।
📖 কঠিন শব্দার্থ
বৃক্ষরোপণ = গাছ লাগানো
👉 সমার্থক: বনায়নরিসাইক্লিং = পুনরায় ব্যবহার
👉 সমার্থক: পুনঃব্যবহারনবায়নযোগ্য শক্তি = বারবার ব্যবহারযোগ্য শক্তি
👉 সমার্থক: পুনর্নবীকরণযোগ্য শক্তি
💡 কঠিন লাইনের ব্যাখ্যা
“কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ”
👉 গাছ বাতাস থেকে ক্ষতিকর গ্যাস নেয়
🔹 অনুচ্ছেদ ৫: আমাদের করণীয়
মূল প্যারা (ধারণাভিত্তিক):
বিদ্যুৎ সাশ্রয়, জীবাশ্ম জ্বালানি কম ব্যবহার, প্লাস্টিক বর্জন এবং পরিবেশবান্ধব জীবনযাপন জলবায়ু পরিবর্তন রোধে সহায়তা করে।
👉 সহজ ব্যাখ্যা
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে কিছু পরিবর্তন আনলেই পরিবেশ ভালো থাকবে।
📖 কঠিন শব্দার্থ
সাশ্রয় = কম ব্যবহার
👉 সমার্থক: সংরক্ষণবর্জন = ছেড়ে দেওয়া
👉 সমার্থক: ত্যাগপরিবেশবান্ধব = পরিবেশের জন্য ভালো
👉 সমার্থক: প্রকৃতিবান্ধব
💡 কঠিন লাইনের ব্যাখ্যা
“জ্বালানি কম ব্যবহার করলে দূষণ কম হয়”
👉 কম জ্বালানি মানে কম ধোঁয়া
🔹 অনুচ্ছেদ ৬: নবায়নযোগ্য শক্তি ও বন সংরক্ষণ
মূল প্যারা:
স্রোত, বাতাস, সূর্যের আলো এবং বর্জ্য থেকে প্রাপ্ত বায়োগ্যাস নবায়নযোগ্য শক্তির বড়ো উৎস। এ শক্তি পুনরায় ব্যবহার করা যায় এবং তা পরিবেশবান্ধব। জলবায়ুর স্বাভাবিকতা রক্ষা করে।
বনভূমি ধ্বংস, কম বনায়ন হলে বায়ুতে কার্বন ডাইঅক্সাইডের মাত্রা বাড়ে। বায়ুর তাপমাত্রাও বাড়ে।
👉 সহজ ব্যাখ্যা
ভালো শক্তি ব্যবহার করলে পরিবেশ ভালো থাকে
গাছ কম হলে পৃথিবী গরম হয়
📖 কঠিন শব্দার্থ
বায়োগ্যাস = বর্জ্য থেকে তৈরি গ্যাস
👉 সমার্থক: প্রাকৃতিক গ্যাসবনভূমি = গাছপালার এলাকা
👉 সমার্থক: অরণ্য
💡 কঠিন লাইনের ব্যাখ্যা
“কার্বন ডাইঅক্সাইডের মাত্রা বাড়ে”
👉 বাতাসে ক্ষতিকর গ্যাস বাড়ে
🌟 শেষ কথা (সহজে মনে রাখো)
👉 মানুষ → দূষণ → জলবায়ু পরিবর্তন
👉 সমাধান → গাছ লাগানো + দূষণ কমানো
📘 অধ্যায় ১ – প্রশ্নোত্তর (Part-1: পৃষ্ঠা ১–২) ✔ সংশোধিত + নোটসহ
🔹 ছবি অংশ
❓১. ছবি-১ এ কী দেখা যায়?
✅ বজ্রপাতসহ ঝড় দেখা যায়।
📝 নোট: বজ্রপাত মানে আকাশে বিদ্যুৎ চমক, যা ঝড়ের সময় হয়।
❓২. ছবি-২ এ কী দেখা যায়?
✅ বন্যা বা জলাবদ্ধতা দেখা যায়।
📝 নোট: অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে পানি জমে গেলে তাকে জলাবদ্ধতা বলে।
❓৩. ছবি-৩ এ কী বোঝানো হয়েছে?
✅ খরা বা অনাবৃষ্টি বোঝানো হয়েছে।
📝 নোট: অনেকদিন বৃষ্টি না হলে মাটি শুকিয়ে যায়—এটাই খরা।
❓৪. ছবি-৪ এ কী বোঝানো হয়েছে?
✅ জলোচ্ছ্বাস বা উপকূলীয় প্লাবন বোঝানো হয়েছে।
📝 নোট: সমুদ্রের পানি হঠাৎ বেড়ে উপকূলে ঢুকে পড়াকে জলোচ্ছ্বাস বলে।
❓৫. অতিবৃষ্টির ফলে কী সমস্যা হয়?
✅ রাস্তাঘাট ডুবে যায় এবং মানুষ চলাচলে সমস্যা হয়।
❓৬. খরার ফলে জমির কী অবস্থা হয়?
✅ ফসলি জমি ফেটে চৌচির হয়ে যায়।
📝 নোট: পানি না থাকলে মাটি শক্ত হয়ে ফেটে যায়।
❓৭. জলোচ্ছ্বাস হলে কী ক্ষতি হয়?
✅ ঘরবাড়ি ও জনপদ তলিয়ে যায়।
🔹 আবহাওয়া ও জলবায়ু
❓৮. আবহাওয়ার উদাহরণ কী?
✅ আগামীকাল রোদ, মেঘ বা বৃষ্টি হওয়ার পূর্বাভাস।
❓৯. আবহাওয়া বলতে কী বোঝায়?
✅ স্বল্প সময়ের তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও আর্দ্রতার অবস্থা।
📝 নোট: যেমন আজকের আবহাওয়া—রোদ বা বৃষ্টি।
❓১০. জলবায়ু বলতে কী বোঝায়?
✅ দীর্ঘ সময়ের (৩০–৩৫ বছর) আবহাওয়ার গড় অবস্থা।
📝 নোট: এটি কোনো এলাকার স্থায়ী আবহাওয়ার ধরণ।
❓১১. জলবায়ু নির্ধারণে কত বছরের তথ্য লাগে?
✅ সাধারণত ৩০–৩৫ বছর।
❓১২. বাংলাদেশে জুন-জুলাই মাসে কী হয়?
✅ বেশি বৃষ্টি হয় এবং আর্দ্রতা বেশি থাকে।
❓১৩. ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে কী হয়?
✅ শীত পড়ে এবং আর্দ্রতা কম থাকে।
❓১৪. আবহাওয়া ও জলবায়ুর পার্থক্য কী?
✅ আবহাওয়া স্বল্প সময়ের, জলবায়ু দীর্ঘ সময়ের।
📝 নোট: আবহাওয়া প্রতিদিন বদলায়, জলবায়ু ধীরে বদলায়।
🔹 জলবায়ু পরিবর্তন
❓১৫. জলবায়ু পরিবর্তন দ্রুত হওয়ার প্রধান কারণ কী?
✅ মানবসৃষ্ট কার্যকলাপ।
📝 নোট: মানুষের কাজ যেমন দূষণ, গাছ কাটা—এগুলোই মূল কারণ।
❓১৬. জীবাশ্ম জ্বালানির উদাহরণ কী?
✅ কয়লা, তেল, প্রাকৃতিক গ্যাস।
❓১৭. জীবাশ্ম জ্বালানি বেশি ব্যবহার করলে কী হয়?
✅ বায়ুতে কার্বন ডাই-অক্সাইড বেড়ে যায় এবং তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
📝 নোট: এই গ্যাস তাপ আটকে রাখে → পৃথিবী গরম হয়।
❓১৮. কোন কোন উৎস থেকে ক্ষতিকর গ্যাস বের হয়?
✅ কলকারখানা, যানবাহন, এসি, ফ্রিজ।
❓১৯. ইটভাটার ধোঁয়ার প্রভাব কী?
✅ বায়ুদূষণ বৃদ্ধি করে।
❓২০. বন উজাড় হলে কী হয়?
✅ পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট হয় এবং কার্বন ডাই-অক্সাইড বেড়ে যায়।
📝 নোট: গাছ CO₂ কমায়, গাছ না থাকলে CO₂ বাড়ে।
❓২১. পৃথিবীর তাপমাত্রা কেন বাড়ছে?
✅ গ্রিনহাউস গ্যাসের কারণে।
📝 নোট: এই গ্যাস তাপ আটকে রাখে, তাই পৃথিবী গরম হয়।
❓২২. দুই মেরুর বরফ গললে কী হয়?
✅ সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়ে।
❓২৩. জলবায়ু পরিবর্তনে কী কী দুর্যোগ দেখা দেয়?
✅ বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিধস।
❓২৪. জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কারা ক্ষতিগ্রস্ত হয়?
✅ মানুষ, প্রাণী, প্রকৃতি ও সম্পদ।
❓২৫. লবণাক্ত পানি কোথায় প্রবেশ করে?
✅ উপকূলীয় এলাকার কৃষিজমিতে।
❓২৬. এর ফলে কী ক্ষতি হয়?
✅ কৃষিজমির ফসল নষ্ট হয়।
❓২৭. ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কেন নিচে নামে?
✅ কম বৃষ্টিপাত ও বেশি পানি ব্যবহারের কারণে।
❓২৮. এর ফলে কী হয়?
✅ ফসলের মাঠ শুকিয়ে যায়।
❓২৯. জলবায়ু পরিবর্তন বেশি হলে কী বাড়ে?
✅ দুর্যোগের আশঙ্কা বেড়ে যায়।
❓৩০. সমুদ্রপৃষ্ঠ বাড়লে কী হতে পারে?
✅ অনেক এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যেতে পারে।
❓৩১. খাদ্যনিরাপত্তা হুমকির মানে কী?
✅ খাদ্যের অভাব হতে পারে।
📝 নোট: ফসল কম হলে খাবারও কমে যায়।
❓৩২. সুপেয় পানির অভাব কেন হয়?
✅ জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে পানির উৎস নষ্ট হয়।
📝 নোট: লবণাক্ত পানি ও খরা এর কারণ।
📘 অধ্যায় ১ – প্রশ্নোত্তর (Part-2: প্রশ্ন ৩৩ থেকে)
🔹 মাইন্ডম্যাপ (কারণ)
❓৩৩. জলবায়ু পরিবর্তনের একটি প্রধান কারণ কী?
✅ জীবাশ্ম জ্বালানি (কয়লা, তেল, গ্যাস) পোড়ানো।
📝 নোট: এগুলো পোড়ালে CO₂ তৈরি হয় → পৃথিবী গরম হয়।
❓৩৪. বনভূমি উজাড় করলে কী হয়?
✅ জলবায়ু পরিবর্তন বৃদ্ধি পায়।
📝 নোট: গাছ না থাকলে CO₂ কমে না।
❓৩৫. কলকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া কী করে?
✅ বায়ুদূষণ বাড়ায়।
❓৩৬. গ্রিনহাউস গ্যাসের কাজ কী?
✅ তাপমাত্রা বৃদ্ধি করে।
📝 নোট: এটি সূর্যের তাপ আটকে রাখে।
❓৩৭. কৃষিতে রাসায়নিক সার বেশি ব্যবহার করলে কী হয়?
✅ পরিবেশ দূষিত হয়।
❓৩৮. CFC গ্যাস কোথা থেকে বের হয়?
✅ ফ্রিজ ও এসি থেকে।
📝 নোট: এটি ওজোন স্তর ক্ষতিগ্রস্ত করে।
🔹 প্রভাব
❓৩৯. জলবায়ু পরিবর্তনে সমুদ্রপৃষ্ঠের কী হয়?
✅ উচ্চতা বৃদ্ধি পায়।
❓৪০. কৃষিতে কী প্রভাব পড়ে?
✅ খাদ্য উৎপাদন কমে যায়।
📝 নোট: বন্যা/খরায় ফসল নষ্ট হয়।
❓৪১. জনস্বাস্থ্যে কী প্রভাব পড়ে?
✅ রোগব্যাধি বৃদ্ধি পায়।
❓৪২. জীববৈচিত্র্যে কী প্রভাব পড়ে?
✅ প্রাণী ও উদ্ভিদের ক্ষতি হয়।
❓৪৩. বনাঞ্চলে কী সমস্যা হয়?
✅ আবাসস্থল নষ্ট হয়।
❓৪৪. পানির উৎসে কী প্রভাব পড়ে?
✅ নিরাপদ পানির অভাব হয়।
🔹 আর্থসামাজিক প্রভাব
❓৪৫. খাদ্য সংকট কেন হয়?
✅ ফসল নষ্ট হওয়ার কারণে।
❓৪৬. দারিদ্র্য কেন বাড়ে?
✅ মানুষ সম্পদ হারায়।
❓৪৭. উদ্বাস্তু সমস্যা কী?
✅ মানুষ ভিটেমাটি ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়।
📝 নোট: এদের জলবায়ু শরণার্থী বলে।
❓৪৮. পেশার পরিবর্তন কেন হয়?
✅ কৃষি ও মৎস্য কাজ বাধাগ্রস্ত হয়।
❓৪৯. স্বাস্থ্যঝুঁকি কেন বাড়ে?
✅ তাপদাহ ও বন্যার কারণে।
📘 পৃষ্ঠা ৪ (চিত্রভিত্তিক)
🔹 বৃক্ষরোপণ
❓৫০. কী কাজ করা হচ্ছে?
✅ গাছ লাগানো হচ্ছে।
❓৫১. কেন গাছ লাগানো হচ্ছে?
✅ পরিবেশ রক্ষার জন্য।
❓৫২. গাছ কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তন কমায়?
✅ CO₂ শোষণ করে।
📝 নোট: এতে তাপ কমে।
🔹 রিসাইক্লিং
❓৫৩. কী কাজ করা হচ্ছে?
✅ বর্জ্য পুনর্ব্যবহার।
❓৫৪. কেন এটি করা হচ্ছে?
✅ দূষণ কমানোর জন্য।
❓৫৫. এটি কীভাবে সাহায্য করে?
✅ মিথেন গ্যাস কমায়।
📝 নোট: মিথেনও তাপ বাড়ায়।
🔹 কংক্রিট ব্লক
❓৫৬. কী তৈরি করা হচ্ছে?
✅ কংক্রিট ব্লক।
❓৫৭. কেন এটি ব্যবহার করা হচ্ছে?
✅ ইটভাটার দূষণ কমাতে।
❓৫৮. এটি কীভাবে সাহায্য করে?
✅ কার্বন নিঃসরণ কমায়।
🔹 সৌর প্যানেল
❓৫৯. কী কাজ করা হচ্ছে?
✅ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন।
❓৬০. কেন সৌরশক্তি ব্যবহার করা হয়?
✅ জীবাশ্ম জ্বালানি কমানোর জন্য।
❓৬১. এটি কীভাবে জলবায়ু রক্ষা করে?
✅ কোনো ধোঁয়া বা কার্বন তৈরি করে না।
📝 নোট: এটি পরিষ্কার শক্তি।
📘 অধ্যায় ১ – প্রশ্নোত্তর (Part-3: প্রশ্ন ৬২ থেকে)
🔹 পৃষ্ঠা ৫ – করণীয়
❓৬২. বিদ্যুৎ সাশ্রয় বলতে কী বোঝায়?
✅ অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার না করা।
❓৬৩. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের একটি উপায় লিখো।
✅ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় লাইট-ফ্যান বন্ধ করা।
❓৬৪. আরেকটি উপায় কী?
✅ LED বাল্ব ব্যবহার করা।
📝 নোট: LED কম বিদ্যুৎ খরচ করে।
❓৬৫. বিদ্যুৎ সাশ্রয় করলে কী লাভ?
✅ জ্বালানির ব্যবহার কমে।
❓৬৬. জীবাশ্ম জ্বালানি বেশি ব্যবহার করলে কী হয়?
✅ কার্বন ডাই-অক্সাইড বেড়ে যায়।
❓৬৭. এতে কী ঘটে?
✅ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
❓৬৮. জীবাশ্ম জ্বালানি কমানোর একটি উপায় কী?
✅ গণপরিবহন ব্যবহার করা।
❓৬৯. আরেকটি উপায় কী?
✅ হেঁটে বা সাইকেলে চলা।
❓৭০. প্লাস্টিক ব্যবহারের ক্ষতি কী?
✅ পরিবেশ দূষিত করে।
❓৭১. প্লাস্টিকের বদলে কী ব্যবহার করা উচিত?
✅ পাট বা কাপড়ের ব্যাগ।
❓৭২. প্লাস্টিক কোথায় ফেলা উচিত?
✅ নির্দিষ্ট স্থানে বা রিসাইকেল করা।
🔹 পৃষ্ঠা ৬
❓৭৩. নবায়নযোগ্য শক্তির উৎস কী কী?
✅ স্রোত, বাতাস, সূর্যের আলো, বায়োগ্যাস।
❓৭৪. নবায়নযোগ্য শক্তির বৈশিষ্ট্য কী?
✅ পুনরায় ব্যবহার করা যায়।
❓৭৫. এটি কেন ভালো?
✅ পরিবেশবান্ধব।
📝 নোট: এতে দূষণ কম হয়।
❓৭৬. আমাদের করণীয় কী (নবায়নযোগ্য শক্তি ক্ষেত্রে)?
✅ এসব শক্তির ব্যবহার বাড়ানো।
❓৭৭. বনভূমি ধ্বংস হলে কী হয়?
✅ CO₂ বৃদ্ধি পায়।
❓৭৮. এতে কী ঘটে?
✅ তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়।
❓৭৯. আমাদের করণীয় কী (বনভূমি রক্ষা)?
✅ গাছ লাগানো ও বন সংরক্ষণ করা।
🔹 মতামত (বিবৃতি)
❓৮০. বেশি গাছ লাগানো উচিত—একমত?
✅ হ্যাঁ (✓)
📝 নোট: গাছ CO₂ কমায়।
❓৮১. বন ধ্বংস পরিবেশ রক্ষা করে—একমত?
❌ না
📝 নোট: এটি পরিবেশ নষ্ট করে।
❓৮২. নবায়নযোগ্য জ্বালানি পরিবেশবান্ধব—একমত?
✅ হ্যাঁ
❓৮৩. হাঁটা/সাইকেল ব্যবহার করা উচিত—একমত?
✅ হ্যাঁ
❓৮৪. কাঠ ও কয়লা বেশি ব্যবহার করা উচিত—একমত?
❌ না
📝 নোট: এতে দূষণ বাড়ে।
🔹 পৃষ্ঠা ৭
❓৮৫. পাহাড় কাটা বন্ধ করা উচিত কেন?
✅ ভূমিধস রোধের জন্য।
❓৮৬. ফসলি জমির মাটি কাটা ক্ষতিকর কেন?
✅ উর্বরতা নষ্ট হয়।
❓৮৭. জলাধার ভরাট করা উচিত?
❌ না
📝 নোট: এতে পানি সংকট হয়।
❓৮৮. কেন জলাধার রক্ষা জরুরি?
✅ পানির উৎস বজায় রাখতে।
❓৮৯. প্লাস্টিক বেশি ব্যবহার করা উচিত?
❌ না
❓৯০. কেন প্লাস্টিক ক্ষতিকর?
✅ এটি পচে না এবং পরিবেশ দূষণ করে।
❓৯১. পরিবেশ রক্ষায় একটি করণীয় লিখো।
✅ গাছ লাগানো।
❓৯২. আরেকটি করণীয় কী?
✅ প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো।
❓৯৩. বর্জ্য ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব কী?
✅ পরিবেশ পরিষ্কার রাখা।
❓৯৪. জলাধার রক্ষার উপায় কী?
✅ ভরাট না করা ও ময়লা না ফেলা।
❓৯৫. সচেতনতা কেন দরকার?
✅ অন্যদের পরিবেশ সম্পর্কে জানাতে।
❓৯৬. পানি অপচয় রোধ কীভাবে করা যায়?
✅ অপ্রয়োজনে কল না খোলা।
🔹 পৃষ্ঠা ৮ (অনুশীলনী)
❓৯৭. জীবাশ্ম জ্বালানি কোনটি?
✅ প্রাকৃতিক গ্যাস।
❓৯৮. তাপমাত্রা কীভাবে পরিবর্তিত হচ্ছে?
✅ দ্রুত বাড়ছে।
❓৯৯. সেচের পানি না পাওয়ার কারণ কী?
✅ ভূগর্ভস্থ পানির স্তর নিচে নামা।
❓১০০. প্লাস্টিক কী করে?
✅ পরিবেশ দূষিত করে।
❓১০১. জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যবহারে কী বাড়ে?
✅ কার্বন ডাই-অক্সাইড।
❓১০২. জলবায়ু রোধে কী প্রয়োজন?
✅ সচেতনতা।
❓১০৩. কংক্রিট ব্লক কী কমায়?
✅ দূষণ।
❓১০৪. জলবায়ু পরিবর্তনে দুর্যোগ কমে যায়—সত্য?
❌ মিথ্যা
❓১০৫. বন উজাড়ে তাপমাত্রা কমে—সত্য?
❌ মিথ্যা
❓১০৬. তাপমাত্রা বৃদ্ধি জলবায়ু পরিবর্তন ঘটায়—সত্য?
✅ সত্য
❓১০৭. ডিজেল কি জীবাশ্ম জ্বালানি?
✅ হ্যাঁ
🔹 সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
❓১০৮. আবহাওয়া কী?
✅ স্বল্প সময়ের বায়ুমণ্ডলের অবস্থা।
❓১০৯. জলবায়ু কী?
✅ দীর্ঘ সময়ের আবহাওয়ার গড়।
🔹 বর্ণনামূলক প্রশ্ন
❓১০৮. আবহাওয়া ও জলবায়ুর মধ্যে দুটি পার্থক্য লেখ।
✅
১. আবহাওয়া স্বল্প সময়ের অবস্থা, জলবায়ু দীর্ঘ সময়ের গড় অবস্থা।
২. আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তন হয়, জলবায়ু ধীরে পরিবর্তন হয়।
📝 নোট:
আবহাওয়া = আজকের অবস্থা
জলবায়ু = অনেক বছরের গড়
❓১০৯. জলবায়ু পরিবর্তনে মানবসৃষ্ট তিনটি কারণ লেখ।
✅
১. বনভূমি উজাড় করা
২. জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো
৩. কলকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া
📝 নোট:
সবগুলোতেই CO₂ বাড়ে → তাপমাত্রা বাড়ে।
❓১১০. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বেড়ে যাওয়ার তিনটি প্রভাব লেখ।
✅
১. উপকূলীয় এলাকা পানির নিচে তলিয়ে যায়
২. কৃষিজমিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পায়
৩. মানুষ ও প্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট হয়
📝 নোট:
লবণাক্ত পানি ফসলের জন্য ক্ষতিকর।
🔹 বর্ণনামূলক প্রশ্ন
❓১১১. জলবায়ু পরিবর্তন রোধে তোমার করণীয় লেখ।
✅
১. বেশি করে গাছ লাগানো
২. বিদ্যুৎ ও জ্বালানির অপচয় বন্ধ করা
৩. নবায়নযোগ্য শক্তি (সৌরশক্তি) ব্যবহার করা
৪. প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো
📝 নোট:
এই কাজগুলো করলে CO₂ কমে → জলবায়ু ভালো থাকে।
❓১১২. পরিবেশ সংরক্ষণে আমরা কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারি?
✅
১. নির্দিষ্ট স্থানে ময়লা ফেলা
২. প্লাস্টিক ও পলিথিন ব্যবহার বর্জন
৩. গাছ লাগানো ও বন রক্ষা
৪. অন্যদের সচেতন করা
📝 নোট:
পরিবেশ রক্ষা মানে নিজের চারপাশ পরিষ্কার রাখা।
📘 বর্ণনামূলক প্রশ্নোত্তর (সম্পূর্ণ সেট)
❓১. আবহাওয়া ও জলবায়ুর পার্থক্য বর্ণনা কর।
✅
আবহাওয়া হলো কোনো স্থানের স্বল্প সময়ের তাপমাত্রা, বৃষ্টি ও আর্দ্রতার অবস্থা। অন্যদিকে জলবায়ু হলো দীর্ঘ সময় (৩০–৩৫ বছর) ধরে পর্যবেক্ষণ করা আবহাওয়ার গড় অবস্থা। আবহাওয়া দ্রুত পরিবর্তিত হয়, কিন্তু জলবায়ু ধীরে পরিবর্তিত হয়।
📝 নোট:
আবহাওয়া = আজকের অবস্থা
জলবায়ু = অনেক বছরের গড়
❓২. জলবায়ু পরিবর্তন কী এবং কেন ঘটে?
✅
জলবায়ু পরিবর্তন হলো দীর্ঘ সময় ধরে পৃথিবীর তাপমাত্রা, বৃষ্টিপাত ও আবহাওয়ার ধরণ পরিবর্তন হওয়া। এটি মূলত মানুষের কার্যকলাপের কারণে ঘটে, যেমন জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো, বনভূমি উজাড়, কলকারখানার ধোঁয়া ইত্যাদি।
📝 নোট:
মানুষের কাজ → CO₂ বৃদ্ধি → তাপমাত্রা বৃদ্ধি
❓৩. জলবায়ু পরিবর্তনের কারণগুলো বর্ণনা কর।
✅
জলবায়ু পরিবর্তনের প্রধান কারণগুলো হলো—
১. জীবাশ্ম জ্বালানি পোড়ানো
২. বনভূমি উজাড়
৩. কলকারখানা ও যানবাহনের ধোঁয়া
৪. গ্রিনহাউস গ্যাস বৃদ্ধি
৫. রাসায়নিক সারের ব্যবহার
৬. ফ্রিজ ও এসি থেকে CFC গ্যাস
📝 নোট:
সব কারণই পরিবেশে ক্ষতিকর গ্যাস বাড়ায়।
❓৪. জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে পরিবেশের উপর কী প্রভাব পড়ে?
✅
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি পায়, বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের মতো দুর্যোগ দেখা দেয়। জীববৈচিত্র্য নষ্ট হয় এবং নিরাপদ পানির সংকট তৈরি হয়।
📝 নোট:
প্রকৃতি সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
❓৫. জলবায়ু পরিবর্তনের আর্থসামাজিক প্রভাব বর্ণনা কর।
✅
জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে খাদ্য সংকট, দারিদ্র্য বৃদ্ধি, উদ্বাস্তু সমস্যা, পেশার পরিবর্তন এবং স্বাস্থ্যঝুঁকি বৃদ্ধি পায়। মানুষ ঘরবাড়ি হারায় এবং জীবিকা হারায়।
📝 নোট:
এটি মানুষের জীবন ও অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
❓৬. সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির প্রভাব ব্যাখ্যা কর।
✅
সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বাড়লে উপকূলীয় এলাকা তলিয়ে যায়, কৃষিজমিতে লবণাক্ততা বৃদ্ধি পায় এবং মানুষ ও প্রাণীর আবাসস্থল নষ্ট হয়।
📝 নোট:
বাংলাদেশে এটি বড় সমস্যা।
❓৭. জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে কৃষিতে কী প্রভাব পড়ে?
✅
খরা বা অতিবৃষ্টির কারণে ফসল নষ্ট হয়, উৎপাদন কমে যায় এবং খাদ্য সংকট দেখা দেয়।
📝 নোট:
কৃষি সরাসরি আবহাওয়ার উপর নির্ভরশীল।
❓৮. জলবায়ু পরিবর্তন কীভাবে জনস্বাস্থ্যের ক্ষতি করে?
✅
তাপদাহ, বন্যা ও দূষণের কারণে বিভিন্ন রোগ যেমন ডায়রিয়া, ডেঙ্গু ইত্যাদি বৃদ্ধি পায়।
📝 নোট:
পরিবেশ খারাপ → স্বাস্থ্য খারাপ
❓৯. জলবায়ু পরিবর্তন রোধে বৃক্ষরোপণের ভূমিকা বর্ণনা কর।
✅
গাছ কার্বন ডাই-অক্সাইড শোষণ করে এবং অক্সিজেন ছাড়ে। ফলে বায়ুমণ্ডলের তাপমাত্রা কমে এবং জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে থাকে।
📝 নোট:
গাছ = প্রাকৃতিক সমাধান
❓১০. বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কীভাবে জলবায়ু পরিবর্তন কমায়?
✅
রিসাইক্লিং করলে বর্জ্য কমে এবং মিথেন গ্যাসের নিঃসরণ কম হয়, যা জলবায়ু পরিবর্তন কমাতে সাহায্য করে।
📝 নোট:
মিথেন = শক্তিশালী গ্যাস
❓১১. সৌরশক্তি ব্যবহারের গুরুত্ব বর্ণনা কর।
✅
সৌরশক্তি একটি নবায়নযোগ্য শক্তি, যা ব্যবহারে কোনো দূষণ হয় না। এটি জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমায় এবং পরিবেশ রক্ষা করে।
📝 নোট:
এটি clean energy
❓১২. কংক্রিট ব্লক ব্যবহার কেন পরিবেশবান্ধব?
✅
এতে ইট পোড়ানোর প্রয়োজন হয় না, ফলে বায়ুদূষণ ও কার্বন নিঃসরণ কমে।
📝 নোট:
ইটভাটা = বড় দূষণ উৎস
❓১৩. বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।
✅
বিদ্যুৎ সাশ্রয় করলে জ্বালানির ব্যবহার কমে এবং কার্বন নিঃসরণ কম হয়, ফলে জলবায়ু পরিবর্তন কমে।
📝 নোট:
কম বিদ্যুৎ = কম দূষণ
❓১৪. জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো কেন প্রয়োজন?
✅
কারণ এগুলো পোড়ালে কার্বন ডাই-অক্সাইড বৃদ্ধি পায় এবং পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ে।
❓১৫. প্লাস্টিক ব্যবহার পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর কেন?
✅
প্লাস্টিক পচে না, মাটি ও পানি দূষিত করে এবং পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করে।
❓১৬. নবায়নযোগ্য শক্তির গুরুত্ব ব্যাখ্যা কর।
✅
নবায়নযোগ্য শক্তি পুনরায় ব্যবহারযোগ্য এবং পরিবেশবান্ধব। এটি দূষণ কমায় এবং জলবায়ু ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
❓১৭. বনভূমি সংরক্ষণের গুরুত্ব বর্ণনা কর।
✅
বনভূমি কার্বন ডাই-অক্সাইড কমায়, তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে এবং জীববৈচিত্র্য রক্ষা করে।
❓১৮. পরিবেশ সংরক্ষণে আমাদের করণীয় কী কী?
✅
১. গাছ লাগানো
২. প্লাস্টিক ব্যবহার কমানো
৩. বর্জ্য সঠিকভাবে ফেলা
৪. পানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা
৫. সচেতনতা বৃদ্ধি করা
❓১৯. জলাধার সংরক্ষণ কেন জরুরি?
✅
জলাধার সংরক্ষণ করলে পানির সংকট কমে, জীববৈচিত্র্য রক্ষা পায় এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণ হয়।
❓২০. নিজ এলাকার পরিবেশ রক্ষায় তোমার ভূমিকা বর্ণনা কর।
✅
আমি গাছ লাগাব, প্লাস্টিক ব্যবহার কমাব, ময়লা নির্দিষ্ট স্থানে ফেলব, পানি অপচয় রোধ করব এবং অন্যদের সচেতন করব।