পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি কোচিং ২০২৬ - প্রাথমিক বিজ্ঞান - ৩য় ক্লাস - অধ্যায় ৩: খাদ্য”
Shiuly's Class Room
Aklima Akhter Shiuly
পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি কোচিং ২০২৬
প্রাথমিক বিজ্ঞান
৩য় ক্লাস
অধ্যায় ৩: খাদ্য”
১) গুরুত্বপূর্ণ লাইন
খাদ্য আমাদের দেহে শক্তি উৎপাদন, ক্ষয়পূরণ, বৃদ্ধি এবং রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
যেসব খাবারে শর্করা, প্রোটিন/আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি পরিমিত পরিমাণে থাকে, সেগুলোই সুষম খাদ্য।
দেহকে সুস্থ, সবল ও কর্মক্ষম রাখতে সুষম খাদ্য অপরিহার্য।
শিশু, গর্ভবতী মা ও বয়স্ক ব্যক্তির পুষ্টির চাহিদা আলাদা।
শুধু সুষম খাদ্য নয়, সময়মতো খাদ্য গ্রহণও জরুরি।
নিয়মিত খাদ্যগ্রহণে শরীর সুস্থ থাকে, আর অনিয়মিত খাদ্যগ্রহণে শরীর দুর্বল হয় ও রোগের ঝুঁকি বাড়ে।
খাদ্যদ্রব্য পচনশীল, তাই খাদ্য সংরক্ষণ প্রয়োজন।
খাদ্য সংরক্ষণের মাধ্যমে খাদ্যের সতেজতা, গুণাগুণ ও নিরাপত্তা বজায় থাকে।
খাদ্য সংরক্ষণের উপায়: শুকিয়ে সংরক্ষণ, ফ্রিজ/হিমাগারে রাখা, কিউরিং, আচার, জ্যাম-জেলি।
খাদ্য সংরক্ষণে অপচয় কমে এবং সারাবছর খাদ্য পাওয়া যায়।
২) সংক্ষিপ্ত নোট
ক) সুষম খাদ্য
শর্করা: ভাত, রুটি, আলু
আমিষ: মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, দুধ
স্নেহ: তেল, ঘি, মাখন, বাদাম
ভিটামিন ও খনিজ: শাকসবজি, ফলমূল
পানি: প্রতিদিন পর্যাপ্ত দরকার
খ) সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা
শরীরের বৃদ্ধি ও বিকাশ
ক্ষয়পূরণ
শক্তি পাওয়া
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
মানসিক ও শারীরিক কর্মক্ষমতা বজায় রাখা
গ) সময়মতো খাদ্য গ্রহণের গুরুত্ব
হজম ভালো হয়
পাকস্থলীর সমস্যা কমে
শরীর দুর্বল হয় না
ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে
পড়াশোনা ও কাজের শক্তি থাকে
নিয়মিত ঘুম ও মানসিক প্রশান্তি বজায় থাকে
ঘ) খাদ্য সংরক্ষণ
খাদ্য যাতে নষ্ট না হয়, তাই সংরক্ষণ করা হয়।
শুকনো খাদ্য: রোদে/ড্রায়ারে শুকিয়ে রাখা হয়
মাছ, মাংস, সবজি: ফ্রিজ বা হিমাগারে রাখা হয়
লবণ দিয়ে: কিউরিং
লবণ, চিনি, তেল, ভিনেগার দিয়ে: আচার
চিনি দিয়ে: জ্যাম-জেলি
Shiuly's Class Room
Aklima Akhter Shiuly
৩) পরীক্ষায় আসতে পারে এমন প্রশ্ন
ক) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন
সুষম খাদ্য কী?
খাদ্যের দুটি কাজ লেখ।
খাদ্য সংরক্ষণ কাকে বলে?
একটি শর্করা জাতীয় খাদ্যের নাম লেখ।
একটি আমিষ জাতীয় খাদ্যের নাম লেখ।
একটি খাদ্য সংরক্ষণের পদ্ধতির নাম লেখ।
ক) অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্ন (উত্তর মালা)
১. সুষম খাদ্য কী?
যে খাদ্যে শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি সঠিক পরিমাণে থাকে তাকে সুষম খাদ্য বলে।
২. খাদ্যের দুটি কাজ লেখ।
দেহে শক্তি উৎপাদন করে
দেহের বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করে
৩. খাদ্য সংরক্ষণ কাকে বলে?
খাদ্যকে দীর্ঘদিন ভালো ও খাওয়ার উপযোগী রাখার প্রক্রিয়াকে খাদ্য সংরক্ষণ বলে।
৪. একটি শর্করা জাতীয় খাদ্যের নাম লেখ।
ভাত / আলু
৫. একটি আমিষ জাতীয় খাদ্যের নাম লেখ।
মাছ / ডিম
৬. একটি খাদ্য সংরক্ষণের পদ্ধতির নাম লেখ।
শুকিয়ে সংরক্ষণ / ফ্রিজে রাখা
খ) সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন
সুষম খাদ্য গ্রহণ কেন প্রয়োজন?
সময়মতো খাদ্য গ্রহণের গুরুত্ব লেখ।
খাদ্য সংরক্ষণ কেন দরকার?
কিউরিং কী?
আচার কীভাবে খাদ্য সংরক্ষণে সাহায্য করে?
অনিয়মিত খাদ্যগ্রহণে কী ক্ষতি হয়?
খ) সংক্ষিপ্ত উত্তর প্রশ্ন(উত্তর মালা)
১. সুষম খাদ্য গ্রহণ কেন প্রয়োজন?
শরীরের বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটে
শক্তি পাওয়া যায়
ক্ষয়পূরণ হয়
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকে
২. সময়মতো খাদ্য গ্রহণের গুরুত্ব লেখ।
হজম ভালো হয়
শরীর সুস্থ থাকে
মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে
ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে
দুর্বলতা কমে
৩. খাদ্য সংরক্ষণ কেন দরকার?
খাদ্য নষ্ট হওয়া রোধ করতে
খাদ্যের গুণাগুণ বজায় রাখতে
অপচয় কমাতে
সারাবছর খাদ্য পেতে
৪. কিউরিং কী?
লবণ দিয়ে খাদ্য সংরক্ষণ করার পদ্ধতিকে কিউরিং বলে।
৫. আচার কীভাবে খাদ্য সংরক্ষণে সাহায্য করে?
আচারে লবণ, তেল, চিনি ও ভিনেগার ব্যবহার করা হয়, যা খাদ্যকে পচন থেকে রক্ষা করে এবং দীর্ঘদিন ভালো রাখে।
৬. অনিয়মিত খাদ্যগ্রহণে কী ক্ষতি হয়?
হজমের সমস্যা হয়
শরীর দুর্বল হয়ে যায়
রোগের ঝুঁকি বাড়ে
স্থূলতা বা অপুষ্টি হতে পারে
গ) বর্ণনামূলক প্রশ্ন
সুষম খাদ্য কাকে বলে? এর প্রয়োজনীয়তা লেখ।
সময়মতো খাদ্য গ্রহণের গুরুত্ব আলোচনা করো।
খাদ্য সংরক্ষণ কাকে বলে? খাদ্য সংরক্ষণের উপায় লেখ।
খাদ্য সংরক্ষণের গুরুত্ব লেখ।
নিয়মিত ও অনিয়মিত খাদ্যগ্রহণের প্রভাব তুলনা করো।
খাদ্য উপাদানগুলো আমাদের দেহে কী কাজ করে, লেখ।
গ) বর্ণনামূলক প্রশ্ন(উত্তর মালা)
১. সুষম খাদ্য কাকে বলে? এর প্রয়োজনীয়তা লেখ।
যে খাদ্যে শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি সঠিক পরিমাণে থাকে তাকে সুষম খাদ্য বলে।
প্রয়োজনীয়তা:
দেহের বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটায়
শক্তি প্রদান করে
ক্ষয়পূরণ করে
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখে
২. সময়মতো খাদ্য গ্রহণের গুরুত্ব আলোচনা করো।
সময়মতো খাদ্য গ্রহণ করা সুস্থ থাকার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে হজম ভালো হয় এবং পাকস্থলীর সমস্যা কমে। শরীর সবসময় সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকে। মস্তিষ্ক ভালোভাবে কাজ করতে পারে। ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং দুর্বলতা কমে যায়। তাই নির্দিষ্ট সময় মেনে খাবার খাওয়া প্রয়োজন।
৩. খাদ্য সংরক্ষণ কাকে বলে? খাদ্য সংরক্ষণের উপায় লেখ।
খাদ্যকে দীর্ঘদিন ভালো ও খাওয়ার উপযোগী রাখার প্রক্রিয়াকে খাদ্য সংরক্ষণ বলে।
উপায়:
রোদে শুকিয়ে রাখা
ফ্রিজ বা হিমাগারে রাখা
লবণ দিয়ে (কিউরিং)
আচার তৈরি করে
জ্যাম-জেলি তৈরি করে
৪. খাদ্য সংরক্ষণের গুরুত্ব লেখ।
খাদ্য সংরক্ষণ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি খাদ্য নষ্ট হওয়া রোধ করে এবং গুণাগুণ বজায় রাখে। অপচয় কমায় এবং সারাবছর খাদ্য পাওয়া যায়। এছাড়া নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করে।
৫. নিয়মিত ও অনিয়মিত খাদ্যগ্রহণের প্রভাব তুলনা করো।
নিয়মিত খাদ্যগ্রহণ:
শরীর সুস্থ থাকে
হজম ভালো হয়
কর্মক্ষমতা বাড়ে
অনিয়মিত খাদ্যগ্রহণ:
শরীর দুর্বল হয়
হজমের সমস্যা হয়
রোগের ঝুঁকি বাড়ে
৬. খাদ্য উপাদানগুলো আমাদের দেহে কী কাজ করে, লেখ।
খাদ্যের উপাদানগুলো দেহে বিভিন্ন কাজ করে। এগুলো দেহের বৃদ্ধি ও ক্ষয়পূরণ করে, শক্তি প্রদান করে এবং তাপ উৎপন্ন করে। এছাড়া দেহের বিভিন্ন অঙ্গ সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।
৪) খুব গুরুত্বপূর্ণ সম্ভাব্য উত্তরবিন্দু
“সুষম খাদ্য গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা” প্রশ্নে লিখবে:
শরীর বৃদ্ধি পায়
ক্ষয়পূরণ হয়
শক্তি পাওয়া যায়
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে
শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম থাকে
“সময়মতো খাদ্য গ্রহণের গুরুত্ব” প্রশ্নে লিখবে:
হজম ভালো হয়
শরীর সুস্থ থাকে
মস্তিষ্ক সক্রিয় থাকে
ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে
দুর্বলতা কমে
“খাদ্য সংরক্ষণের গুরুত্ব” প্রশ্নে লিখবে:
খাদ্য নষ্ট হওয়া রোধ হয়
গুণগত মান বজায় থাকে
সারাবছর খাদ্য পাওয়া যায়
অপচয় কমে
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত হয়
Shiuly's Class Room
Aklima Akhter Shiuly
📘 অধ্যায় ৩: খাদ্য — শর্ট নোট
🔹 সুষম খাদ্য
যেসব খাদ্যে শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ লবণ ও পানি পরিমিত পরিমাণে থাকে, তাকে সুষম খাদ্য বলে।
উদাহরণ:
- শর্করা: ভাত, রুটি, আলু
- আমিষ: মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, দুধ
- স্নেহ: তেল, ঘি, মাখন
- ভিটামিন/খনিজ: শাকসবজি, ফলমূল
🔹 সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা
- শরীরের বৃদ্ধি ও বিকাশ ঘটায়
- শক্তি প্রদান করে
- ক্ষয়পূরণ করে
- রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
- শরীর সুস্থ ও কর্মক্ষম রাখে
🔹 সময়মতো খাদ্য গ্রহণের গুরুত্ব
- হজম ভালো হয়
- শরীর সুস্থ থাকে
- মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ে
- ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে
- দুর্বলতা কমে
🔹 খাদ্য সংরক্ষণ
খাদ্যকে দীর্ঘদিন ভালো রাখার প্রক্রিয়াকে খাদ্য সংরক্ষণ বলে।
সংরক্ষণের পদ্ধতি:
- শুকিয়ে রাখা (ধান, ডাল, মাছ)
- ফ্রিজে রাখা (মাছ, মাংস, সবজি)
- কিউরিং (লবণ দিয়ে)
- আচার (তেল, লবণ, ভিনেগার)
- জ্যাম-জেলি (চিনি দিয়ে)
🔹 খাদ্য সংরক্ষণের গুরুত্ব
- খাদ্য নষ্ট হওয়া রোধ করে
- গুণাগুণ বজায় রাখে
- অপচয় কমায়
- সারাবছর খাদ্য পাওয়া যায়
- নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করে
🔹 গুরুত্বপূর্ণ লাইন (মুখস্থযোগ্য)
- সুষম খাদ্য ছাড়া সুস্থ থাকা সম্ভব নয়
- সময়মতো খাদ্য গ্রহণ স্বাস্থ্য ভালো রাখে
- খাদ্য সংরক্ষণ খাদ্যের অপচয় কমায়
✍️ পরীক্ষার জন্য শর্ট উত্তর টেমপ্লেট
১. সুষম খাদ্য কী?
→ শর্করা, আমিষ, স্নেহ, ভিটামিন, খনিজ ও পানি সমন্বিত খাদ্যই সুষম খাদ্য।
২. সুষম খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা (৩-৫টি পয়েন্ট):
→ বৃদ্ধি, শক্তি, ক্ষয়পূরণ, রোগ প্রতিরোধ, সুস্থতা
৩. সময়মতো খাদ্য গ্রহণের গুরুত্ব (৩-৫টি):
→ হজম ভালো, সুস্থতা, শক্তি, ওজন নিয়ন্ত্রণ
৪. খাদ্য সংরক্ষণ কী?
→ খাদ্য দীর্ঘদিন ভালো রাখার পদ্ধতি।
৫. খাদ্য সংরক্ষণের গুরুত্ব (৩-৫টি):
→ অপচয় রোধ, গুণাগুণ বজায়, সারাবছর খাদ্য, নিরাপত্তা
Shiuly's Class Room
Aklima Akhter Shiuly
পঞ্চম শ্রেণির
প্রাথমিক বিজ্ঞান
৩য় ক্লাস
অধ্যায় ৩: খাদ্য”
বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (MCQ)
🔹 সুষম খাদ্য ও পুষ্টি
১. সুষম খাদ্যে কোন উপাদানগুলো থাকে?
ক) শুধু শর্করা
খ) শুধু আমিষ
গ) সব পুষ্টি উপাদান
ঘ) শুধু ভিটামিন
২. শরীরের শক্তির প্রধান উৎস কী?
ক) ভিটামিন
খ) শর্করা
গ) পানি
ঘ) খনিজ
৩. দেহ গঠনে কোন খাদ্য দরকার?
ক) শর্করা
খ) আমিষ
গ) স্নেহ
ঘ) পানি
৪. রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে—
ক) ভিটামিন
খ) শর্করা
গ) চর্বি
ঘ) পানি
৫. সুষম খাদ্যের উদাহরণ—
ক) শুধু ভাত
খ) শুধু মাছ
গ) ভাত, মাছ, সবজি
ঘ) শুধু ফল
৬. নিচের কোনটি আমিষ জাতীয় খাদ্য?
ক) ভাত
খ) ডিম
গ) তেল
ঘ) আলু
৭. স্নেহ জাতীয় খাদ্য কোনটি?
ক) ডাল
খ) তেল
গ) ভাত
ঘ) ফল
৮. খনিজ লবণের উৎস—
ক) মাংস
খ) ফল ও সবজি
গ) তেল
ঘ) ভাত
৯. পানি শরীরে কী কাজ করে?
ক) শক্তি দেয়
খ) হজমে সাহায্য করে
গ) চর্বি বাড়ায়
ঘ) কিছুই না
১০. শিশুদের বেশি প্রয়োজন—
ক) শুধু পানি
খ) আমিষ
গ) শুধু চিনি
ঘ) শুধু তেল
🔹 খাদ্যের প্রয়োজনীয়তা
১১. খাদ্য আমাদের কী দেয়?
ক) শক্তি
খ) রং
গ) গন্ধ
ঘ) শব্দ
১২. খাদ্যের অভাবে কী হয়?
ক) সুস্থতা
খ) দুর্বলতা
গ) শক্তি
ঘ) বৃদ্ধি
১৩. অতিরিক্ত খাদ্য গ্রহণে কী হতে পারে?
ক) দুর্বলতা
খ) স্থূলতা
গ) ক্ষুধা
ঘ) ঠান্ডা
১৪. খাদ্যের একটি কাজ—
ক) দেহ বৃদ্ধি
খ) দেহ কমানো
গ) রং বদলানো
ঘ) শব্দ তৈরি
১৫. শিশুদের সঠিক খাদ্য না পেলে—
ক) দ্রুত বড় হয়
খ) বৃদ্ধি ব্যাহত হয়
গ) বেশি শক্তি পায়
ঘ) কিছু হয় না
🔹 সময়মতো খাদ্য গ্রহণ
১৬. সময়মতো খাদ্য গ্রহণ করলে—
ক) অসুস্থ হয়
খ) সুস্থ থাকে
গ) দুর্বল হয়
ঘ) অলস হয়
১৭. খাবার না খেলে কী হয়?
ক) শক্তি বাড়ে
খ) দুর্বলতা
গ) ঘুম বাড়ে
ঘ) আনন্দ
১৮. অনিয়মিত খাদ্যাভ্যাসে—
ক) স্বাস্থ্য ভালো হয়
খ) সমস্যা হয়
গ) শক্তি বাড়ে
ঘ) কিছুই না
১৯. হজম ভালো হয়—
ক) অনিয়মে
খ) নিয়মে
গ) না খেলে
ঘ) বেশি খেলে
২০. খাবারের মাঝে বিরতি থাকা উচিত—
ক) ১ ঘণ্টা
খ) ২ ঘণ্টা
গ) ৪ ঘণ্টা
ঘ) ১০ ঘণ্টা
২১. রাতের খাবার খাওয়া ভালো—
ক) গভীর রাতে
খ) সন্ধ্যায়
গ) সকালে
ঘ) দুপুরে
২২. দেরিতে খাবার খেলে—
ক) শক্তি বাড়ে
খ) মোটা হওয়ার সম্ভাবনা
গ) হালকা হয়
ঘ) কিছু না
২৩. সময়মতো খেলে—
ক) রোগ বাড়ে
খ) রোগ কমে
গ) ঘুম কমে
ঘ) ক্ষুধা কমে
২৪. সকালের খাবার খাওয়া উচিত—
ক) দুপুরে
খ) সকালে
গ) রাতে
ঘ) না খেয়ে
২৫. নিয়মিত খেলে—
ক) শরীর খারাপ
খ) শরীর ভালো
গ) শক্তি কম
ঘ) ক্ষুধা বাড়ে
🔹 খাদ্য সংরক্ষণ
২৬. খাদ্য সংরক্ষণ কী?
ক) রান্না করা
খ) দীর্ঘদিন রাখা
গ) খাওয়া
ঘ) ফেলা
২৭. খাদ্য কেন নষ্ট হয়?
ক) আলো
খ) অণুজীব
গ) বাতাস
ঘ) পানি
২৮. শুকিয়ে সংরক্ষণ করা হয়—
ক) মাছ
খ) পানি
গ) লবণ
ঘ) তেল
২৯. ফ্রিজে রাখা হয়—
ক) বই
খ) মাছ
গ) কাপড়
ঘ) পাথর
৩০. কিউরিং কী?
ক) শুকানো
খ) লবণ দেওয়া
গ) ফ্রিজে রাখা
ঘ) রান্না
৩১. আচার তৈরিতে ব্যবহার হয়—
ক) পানি
খ) লবণ ও তেল
গ) মাটি
ঘ) বালি
৩২. জ্যাম তৈরি হয়—
ক) লবণ দিয়ে
খ) চিনি দিয়ে
গ) পানি দিয়ে
ঘ) তেল দিয়ে
৩৩. হিমাগারে রাখা হয়—
ক) আলু
খ) কাগজ
গ) কাঠ
ঘ) লোহা
৩৪. খাদ্য সংরক্ষণে কী কমে?
ক) গন্ধ
খ) অপচয়
গ) রং
ঘ) পানি
৩৫. সংরক্ষণে খাদ্য থাকে—
ক) নষ্ট
খ) ভালো
গ) শুকনো
ঘ) ভেজা
🔹 খাদ্য সংরক্ষণের গুরুত্ব
৩৬. সংরক্ষণে খাদ্য—
ক) নষ্ট হয়
খ) টিকে থাকে
গ) গলে যায়
ঘ) কমে যায়
৩৭. সংরক্ষণ কেন দরকার?
ক) নষ্ট করতে
খ) ভালো রাখতে
গ) ফেলার জন্য
ঘ) সাজানোর জন্য
৩৮. খাদ্য সংরক্ষণে—
ক) রোগ বাড়ে
খ) নিরাপদ থাকে
গ) পচে
ঘ) শুকায়
৩৯. সংরক্ষণ করলে—
ক) অপচয় বাড়ে
খ) অপচয় কমে
গ) খাদ্য কমে
ঘ) কিছু না
৪০. সংরক্ষণে খাদ্য পাওয়া যায়—
ক) একদিন
খ) সারা বছর
গ) এক ঘণ্টা
ঘ) এক মাস
🔹 মিশ্র
৪১. শর্করা দেয়—
ক) শক্তি
খ) রং
গ) গন্ধ
ঘ) শব্দ
৪২. আমিষ কাজ করে—
ক) দেহ গঠন
খ) রং
গ) গন্ধ
ঘ) পানি
৪৩. স্নেহ দেয়—
ক) শক্তি
খ) ঠান্ডা
গ) রং
ঘ) শব্দ
৪৪. ভিটামিন সাহায্য করে—
ক) রোগ প্রতিরোধ
খ) ঘুম
গ) রং
ঘ) শব্দ
৪৫. খাদ্য না খেলে—
ক) শক্তি বাড়ে
খ) দুর্বলতা
গ) স্বাস্থ্য ভালো
ঘ) বৃদ্ধি বেশি
৪৬. বেশি খেলে—
ক) শক্তি কমে
খ) মোটা হয়
গ) দুর্বল হয়
ঘ) কিছু না
৪৭. নিয়মিত খেলে—
ক) অসুস্থ
খ) সুস্থ
গ) দুর্বল
ঘ) ক্ষুধার্ত
৪৮. অনিয়মিত খেলে—
ক) সুস্থ
খ) অসুস্থ
গ) শক্তিশালী
ঘ) মোটা
৪৯. খাদ্য সংরক্ষণে ব্যবহৃত—
ক) লবণ
খ) কাগজ
গ) কাপড়
ঘ) কাঠ
৫০. সুষম খাদ্য—
ক) এক ধরনের খাদ্য
খ) সব ধরনের পুষ্টি
গ) শুধু ফল
ঘ) শুধু ভাত
অধ্যায় ৩: খাদ্য”
বহুনির্বাচনী প্রশ্ন (উত্তরমালা)